আনোয়ারা ইয়াবা আস্তানায় আঘাত হানার দাবী, রাজনৈতিক গড ফাদার ও সাংবাদিক, ইয়াবা সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক

বিশেষ রিপোর্ট :: আনোয়ারার ইয়াবা গডফাদাররা সাদা পাঞ্জাবী পড়ে প্রশাসেনর নাগের ডগায় ঘুরলেও কেউ ধরা পড়ছে না। গোয়ান্দা সংস্থা ও মাদক বিভাগের তালিকাভূক্তরা এখন রাজনীতির দলে বিভিন্ন পদ পদবী নিয়ে কিংবা জনপ্রতিনিধি হিসেবে ওরা নিরাপদে বিচরন করছে। কয়েকজন দালাল হিসেবে সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রন করেছ। আনোয়ারার সচেতন মহল জানিয়েছে প্রায়ই প্রতিদিন ইয়াবা আসক্ত যুবক ১শ পিচ , ২শ পিচ নিয়ে গ্রেফতার হলেও গডফাদারদের বিরুদ্ধে কোন অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে জনমনে ক্ষোভের অন্ত নেই। বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, দেশে টেকনাফের পরে বৃহত্তর ইয়াবার ঘাঁটি আনোয়ারায় এবং দেশের বৃহৎ ও শক্তিশালী ইয়াবা সিন্ডিকেট আনোয়ারায়। এই পর্যন্ত ইয়াবার যত বড় বড় চালান আটক করা হয়েছে আনোয়ারা থেকে। দেশের স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক গুলোতে প্রতিনিয়ত সংবাদের শিরোনাম ছিল আনোয়ারার ইয়াবা। সিন্ডিকেটের নামের তালিকাও প্রকাশ হয়েছে অনেকবার। নানা গণমাধ্যম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকায় আনোয়ারার ইয়াবা সিন্ডিকেটের তালিকায় যাদের নাম প্রকাশিত হয়েছে তারা হলেন, মো. ইউসুফ প্র: কালা মনু (৪৬), পিতা- মৃত আবদুস সালাম, সাং- খুর্দ্দ গহিরা (মহারাজ মসজিদের পশ্চিম পাশে), থানা- আনোয়ারা, জেলা- চট্টগ্রাম। আবু সালাম প্রঃ আবু (৩২), পিতা-মো. কালাম, সাং- খুর্দ্দ গহিরা (মধু মাঝির বাড়ি), থানা- আনোয়ারা, জেলা- চট্টগ্রাম। মো. ইদ্রিস (৩৫), পিতা- আবুল হোসেন, সাং- খুর্দ্দ গহিরা, থানা- আনোয়ারা, জেলা- চট্টগ্রাম। মো. ফয়েজ (৪০), পিতা-মৃত আবদুল হাকিম, সাং-খুর্দ্দ গহিরা (উঠান মাঝির বাড়ি), থানা : আনোয়ারা, জেলা-চট্টগ্রাম। হাছান মাঝি(৫২) পরুয়া পাড়া ,রায়পুর,আনোয়ারা। এছাড়া স্থানীয় অনেক জনপ্রতিনিধিরাও এই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িয়ে পড়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে এলাকা জুড়ে। অনুসন্ধানে জানাযায়, এরা বর্তমানে প্রাকাশ্যে ঘুরছে, শহর থেকে গ্রাম। মাঝে মধ্যে স্থানীয় থানায় নানা তদবির নিয়ে ঘুরতেও দেখাযায়। এলাকা সুত্রে জানাযায়, বর্তমানে আনোয়ারায় পাঁচ শতাধিক ইয়াবা ব্যবসায়ী বহাল তবিয়তে রয়েছে। ফয়েজ, মনুও অঢেল টাকা ও ভূ-সম্পত্তির মালিক বনেছে এটি এখন ওপেনসিক্রেট। অপর এক সুত্র জানায়, আবু সালাম একজন ফিশিং বোটের দিন মজুর থেকে কোটি পতি। চট্টগ্রাম শহরের হালিশহর মুন্সিপাড়ায় নগদ পাঁচ কোটি টাকায় কিনে নিয়েছে ৫তলা বিশিষ্ট ভবন। এছাড়া বেশ কিছু জায়গারও মালিক বনেছে এই আবু। নানা ব্যাংকে তার এফডিআর হিসেবে কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে এমন দাবী অনেকের । কিছুদিন আগে পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। জামিনে এসে আবারো ফিরে যায় একই ব্যবসায়। সম্প্রতি উপজেলার নানা জনে সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদ করা শুরু করেছে। সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলছে । অথচ আনোয়ারার ইয়াবা সম্রাট নামে যারা পরিচিত তারা ঘুরছে প্রকাশ্যে। এই পর্যন্ত মাদকের অভিযানে যারা নিহত হয়েছে তারা আনোয়ারার গডফাদারদের তুলনায় চুনুপুঁটি বলে মন্তব্য করেন এলাকাবাসী। সারাদেশের মত আনোয়ারার চিহ্নিত এবং তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*