Home / চলতি খবর / ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী জাফলংয়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।      

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী জাফলংয়ে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।      

সালমান এফ রহমান জৈন্তাপুর সিলেট :    পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি পেয়ে বাঙালি মেতেছে ভ্রমণ উৎসবে। আনন্দকে ভাগাভাগি করতে কেউ কেউ সপরিবারে, কেউবা আবার বন্ধুবান্ধব সঙ্গে নিয়ে ছুটে এসেছেন সিলেটের গোয়াইনঘাটের পর্যটনকেন্দ্রগুলোয়। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ভুলতে লক্ষাধিক ভ্রমণপিপাসু ছুটে আসেন প্রকৃতিকন্যা জাফলং, জল-পাথরের বিছনাকান্দি, সোয়াম ফরেস্ট রাতারগুল, জাফলংয়ের মায়াবী ঝরনা ও পান্তুমাইয়ের ফাটাছড়া ঝরনাধারায়। উচ্ছ্বাসের সঙ্গে উপভোগ করেন ঈদের আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত। পর্যটনকেন্দ্র জাফলংয়ে গিয়ে দেখা যায়, লক্ষাধিক পর্যটকের পদভারে মুখর পর্যটনকেন্দ্র জাফলং। জিরো পয়েন্টে নুড়ি পাথর ও বালুকণার ওপর দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ জলধারায় অনেকেই জলকেলিতে মেতে উঠেছেন। তবে সবচেয়ে বেশি পর্যটকের সমাগম লক্ষ করা গেছে জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট ও  মায়াবী ঝরনায়। স্বচ্ছ জলে গা ভিজিয়ে বাঁধভাঙা উল্লাস করছেন পর্যটকরা। অনেকেই নিজের সঙ্গে থাকা স্মার্টফোনে বন্দি করে রাখছেন স্মরণীয় মুহূর্তটি। অন্যদিকে জল আর পাথরের মিতালি পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দি ও সোয়াম ফরেস্ট রাতারগুলেও হাজার হাজার পর্যটকের সমাগম লক্ষ করা গেছে।

এ ছাড়াও তামাবিল জিরোপয়েন্ট, পান-সুপারি বাগানের ভাঁজে ভাঁজে আদিবাসী জনগোষ্ঠী খাসিয়া সম্প্রদায়ের ব্যাতিক্রমধর্মী বসতঘর ও জাফলং চা-বাগানে সহস্রাধিক পর্যটকের আগমন ঘটেছে। তাদের আপ্যায়ন করতে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল বিভিন্ন প্রকার আবাসিক-অনাবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ। সেই সঙ্গে জমে উঠেছে রকমারি ব্যবসা-বাণিজ্যও। পর্যটনকেন্দ্রগুলোয় রয়েছে দেশি-বিদেশি কাপড়ের পসরা এবং ভারতীয় কসমেটিকস, নানা রকম উপহার সামগ্রীসহ পাথরের তৈরি শিল-পাটা। ঢাকা  থেকে পরিবার নিয়ে জাফলং বেড়াতে আসা কয়েক জন পর্যটক বলেন, ‘ওপারে মেঘালয়ের সবুজ পাহাড়, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ জল ও মায়াবী ঝরনা-সব কিছু মিলিয়ে পর্যটনকেন্দ্র জাফলংয়ের অনিন্দ্য সুন্দর দৃশ্য, যা আর কোথাও নেই। পরিবার নিয়ে দারুণ উপভোগ করছি।’

গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিশ্বজিত কুমার পাল জানান, প্রতিবছরই গোয়াইনঘাটের পর্যটনগুলোয় উপচেপড়া ভিড় জমে। পর্যটকরা যাতে নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে থানা পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।

About gssnews2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*