Home / মুক্তমত / খালেদার মুক্তির ব্যাপারে জাতিসংঘকে এগিয়ে আসার অনুরোধ  মেজর (অব:) আখতারুজ্জামানের 

খালেদার মুক্তির ব্যাপারে জাতিসংঘকে এগিয়ে আসার অনুরোধ  মেজর (অব:) আখতারুজ্জামানের 

আসাদুজ্জামান বাবুল :   সম্প্রতি অনলাইনসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত মেজর (অব:) আখতারুজ্জামানের  একটি মুক্তমত প্রকাশিত হয়েছে-

“মিশরের নির্বাচিত কারাবন্দি প্রেসিডেন্ট মুরসির আদারতের কাঠগড়ায় মৃত্যুর পরে – “The United Nations human rights office has called for a “prompt, impartial, thorough and transparent investigation” into Morsi’s death. আজকে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কাছে আমাদের বিনিত অনুরোধ মুরসির মৃত্যুর পরে যদি আপনারা বলতে পারেন – Concerns have been raised regarding the conditions of Mr. Morsi’s detention, including access to adequate medical care, as well as sufficient access to his lawyers and family, during his nearly six years in custody,” Rupert Colville, spokesman for the UN High Commissioner for Human Rights, said on Monday.” তাহলে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশমাতা খালেদা জিয়াকে সরকার যে ভাবে যতোপুযুক্ত চিকিৎসা লাভে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে দিচ্ছে না এবং দেশমাতার আইনী সহায়তার জন্য তার আইনজীবীদের সহায়তা পেতে যতেষ্ট সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে না এবং পরিবার, দল ও আত্বিয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাতের প্রর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন না – সেখানে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন কেন এবং কোন যুক্তিতে রহস্যজনকভাবে নিরবতা অবলম্বন করে আসছে ? নাকি মুরসির মৃত্যুর মতো  মানবাধিকার কমিশন দেশমাতার মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছেন !! জনগণ তা ভাবে না। জনগণ অত্যান্ত আস্থার সঙ্গে বিশ্বাস করে আর কালবিলম্ব না করে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসুচি কতৃপক্ষ দেশমাতা খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিবেন। সরকারের একপেশে বক্তব্যকেই যথাযথ সত্য না মনে করে আসল সত্য নিরুপন করে যতোপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসবেন। দেশমাতা খালেদা জিয়াকে দুর্নীতির দায়ে বিচার ব্যবস্থা কারাদন্ড দিয়ে আটকিয়ে রাখছে তা সত্য নয় এবং জনগণও তা বিশ্বাস করে না। সরকার আক্রোশমূলক ও প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আদালতের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করে তথাকথিত বিচারের নামে দেশমাতা খালেদা জিয়াকে অত্যান্ত অন্যায় ভাবে কারাগারে তথাকথিত জেল দিয়ে আটকিয়ে রেখেছেন, যা বিস্তারিত জানা উচিত ছিল জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন ও জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থার, যা জনগণ বিশ্বাস করে। কিন্তু বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন ও খোদ জাতিসংঘ অন্ধ ও বধির হয়ে আছে যা খুবই দু:খ্যজনক। জনগন আশা করে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক  রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কায়েমের বৃহত্তর স্বার্থে অবিলম্বে দেশমাতা খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যাপারে জাতিসংঘ এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন এগিয়ে আসবে এটি জনগণের প্রত্যাশা।

সূত্র: অনলাইনে প্রকাশিত মুক্তমতের একাংশ- বি.স.

 

 

About gssnews2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*