Home / চট্টগ্রামের খবর / মাদার অব হিউম্যানিটি সমীপে একটি মানবিক আবেদন

মাদার অব হিউম্যানিটি সমীপে একটি মানবিক আবেদন

শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীগণের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করণার্থে জারীকৃত সরকারী প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ১০০% সমর্পণকারীদের মাসিক পেনশন পুন:স্থাপন আবেদন।

শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীগণের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করণার্থে সদাশয় সরকার কর্তৃক গৃহিত ০৮/১২/২০১৮ইং তারিখের সিদ্ধান্ত ছিল অভূতপূর্ব ও যুগান্তকারী।প্রাসঙ্গিক বিষয়ে সহৃদয়তার সাথে সদয় বিবেচনার জন্য কতিপয় আকুতি নিম্নে উপস্থাপন করা হলো:-

ক) বিশেষভাবে উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা, এমপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিগত ০৪/০২/২০১৯ইং তারিখে পুলিশ সপ্তাহ-২০১৯ইং উদ্বোধনকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন মিলনায়তনে আয়োজিত দরবারে প্রদত্ত ভাষণে শতভাগ পেনশন সমর্পনকারীদের পেনশন পুন:প্রত্যাবর্তনের ব্যাপারে আলোকপাত করতে গিয়ে সদয় ঘোষণা দেন যে, “যারা অবসরকালীন ভাতা তুলে নেন, যাদের ১০ বছর হয়ে গেছে তাদের পুনরায় অবসরভাতা দেয়ার ব্যবস্থাও সরকার পুনরায় বিবেচনা করছে”।(সূত্র: ০৪/০২/২০১৯ইং তারিখের jagonews24.com) । আমাদের আবেদন-নিবেদনের পূর্বেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্রণোদিত উল্লেখিত ঘোষণা আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছে এবং আমরা পুনরুজ্জীবিত হবার অবলম্বন খুঁজে পেয়েছি। আমরা এই সদয় ঘোষণার আশু বাস্তবায়নের জন্য আকুল আবেদন করছি।

খ) শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী যারা ২০০৪ইং সন থেকে ২০০৮ইং সন পর্যন্ত সময়কালে অবসর গ্রহণ করেছেন তাঁরা ইতিমধ্যে ১০ থেকে ১৪ বছর অবসরোত্তর সময়কাল অতিবাহিত করেছেন।  পেনশন পুন:প্রত্যাবর্তনের সময়মীমা ১৫ বছরের বাধ্যবাধকতার কারণে আলোচ্য ১০ থেকে ১৪ বছর অতিক্রমকারী কর্মচারীবৃন্দের বিষয়টি উপেক্ষিত হওয়ায় তাদের জীবদ্দশায় পেনশন পুন: প্রত্যাবর্তনের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন কিনা সন্দেহের অবকাশ রয়েছে এবং তাঁরা অসহায়ত্বের আবর্তে পড়ে আর্থিক দৈন্যদশায় নিপতিত হয়ে বৃদ্ধ বয়সে জীবন-জীবিকা ও চিকিৎসা ব্যয় সংস্থানের অণ্বেশায় মানবেতর জীবন অবলম্বন করে মৃত্যু পথযাত্রীর ভাগ্য বরণ করছেন।

যেহেতু শতভাগ পেনশন mgc©YKvixMYmn সকলশ্রেনীর Kg©PvixMY জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাভূক্ত হিসাবে চিকিৎসাভাতা, beel©ভাতা, উৎসবভাতা এবং ৫% হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট সুবিধা ভোগরত সেক্ষেত্রে বেতন স্কেলে ধারাহিকভাবে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও ২০০৪ইংসন থেকে ২০০৮ইংসন এবং তৎপরবর্তী সময়কালে অবসরে যাওয়া Kg©PvixMY‡K RvZxq বেতন স্কেলের Corresponding Scale এ সমন্নয় করার বিষয়টি নিদারুণভাবে উপেক্ষিত হয়েছে, ফলে তাঁরা ন্যায্যপ্রাপ্তিতে ক্রমাগতভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন।গ) প্রতিবার জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণা সংক্রান্ত বাংলাদেশ গেজেট নোটিফিকেশন আদেশে এই মর্মে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকে যে,“নতুন বেতন স্কেল কার্যকারিতার অব্যবহিত পূর্বে বিদ্যমান পদসমূহের eZ©gvb বেতন স্কেল বিলুপ্ত হইবে এবং বেতন স্কেল কার্যকারিতার  তারিখ হইতে eZ©gvb স্কেলের প্রতিটি স্কেলের বিপরীতে অনুরূপ স্কেল(Corresponding Scale) Kvh©Ki হইবে(সূত্র: বেতন স্কেল-২০০৫ তারিখ ২৮-০৫-২০০৫ইং অনুচ্ছেদ-৩, পৃষ্ঠা-৩, বেতন স্কেল ২০০৯ তারিখ ০২-১২-২০০৯ অনুচ্ছেদ-৩ পৃষ্ঠা-২ এবং বেতন স্কেল-২০১৫ তারিখ ১৫-১২-২-১৫ইং, অনুচ্ছেদ-৩, পৃষ্ঠা নং-১০,৭৪১)। উদাহরণস্বরুপ একটি Corresponding Scale এর তূলনা মূলক চিত্র উপস্থাপন করা হলঃ-

বেতন স্কেল-২০০৫ বেতন স্কেল-২০০৯ বেতন স্কেল-২০১৫
৬,৮০০-১৩,০৯০ ১১,০০০-২০,৩৭০ ২২,০০০-৫৩,০৬০

ঘ) ২০০৯ইং সন পূর্ব জাতীয় বেতন স্কেলের ধারাবাহিকতায় ২০০৯ইং সন ও ২০১৫ইং সনে যথাক্রমে ৭৫% ও ১০০% বৃদ্ধি করে ৭ম ও ৮ম জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষনা ও বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। কিন্ত শতভাগ পেনশন সমর্পনকারীদের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বয়সীদের ৪০% ও ৬৫ বছর উর্ধ বয়সীদের ক্ষেত্রে ৫০% বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে অবসরপ্রাপ্ত সকল শ্রেণীর কর্মচারীগণ যথাক্রমে ৩৫% ও ৫০% বৃদ্ধি সুবিধা বঞ্চিত হয়েছেন।

ঙ) ২০০৯ইং সন পূর্ব সময়ে অবসর গ্রহণের সময় সর্বশেষ মুল বেতনের ২০% কেটে রেখে ৮০% ভিত্তি ধরে পেনশন নিষ্পত্তি করা হতো, যা বর্তমানে ১০% কেটে রেখে ৯০% ভিত্তি ধরে পেনশন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। ২০০৯ইং সন পূর্ব সময়ে জাতীয় বেতন স্কেল বর্তমানের তুলনায় খুবই নগন্য ছিল, ফলে অবসরোত্তর প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধাও ছিল যথসামান্য। উল্লেখিত ২০০৯ইং সন পূর্বাপর পেনশন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তারতম্যের পরিমান ১০% হলেও জাতীয় বেতন স্কেলে অভুতপূর্ব বৃদ্ধির কারনে বর্তমানে পেনশন নিষ্পত্তিতে ৯০% ভিত্তি ধরে পেনশনোত্তর আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তিতে ২০০৯ইং সন পূর্ব সময়ের তুলনায় অবিশাস্য তারতম্য রয়েছে।

চ) অবসরকালীন সময়ে সর্বমোট আটবছর চারমাস ভিত্তি ধরে সর্বশেষ মূল বেতনের উপর অবসরোত্তর আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে  আলোচ্য সময় সীমা অতিক্রান্ত হলেই শতভাগ পেনশন সমর্পনকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীগণ স্বাভাবিকভাবে দায়মুক্তি লাভ করত: পেনশন পুন: প্রত্যাবর্তনের যোগ্যতা অর্জন করে থাকেন, এক্ষেত্রে অবসর গ্রহণের পর ১৫ বছরের বাধ্যবাধকতা্ আরোপিত হিসাবে বিবেচিত।

অতএব, আলোচ্য বিষয়াদি সহানুভুতির সাথে সম্পূর্ণ মানবিক কারণে সদয় বিবেচনায় এনে পুন:মূল্যায়ণ পূর্বক পেনশন পুন: প্রত্যাবর্তনের ক্ষেত্রে ১৫ বছরের বাধ্যবাধকতার স্থলে ১০ বছর করণের বিষয়ে শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনা, এম, পি মহোদয়ার মানবিক দুষ্টিকোণ থেকে স্বপ্রনোদিত হয়ে নীতিগতভাবে গৃহীত সিদ্ধান্তের ঘোষণার আশু বাস্তবায়ন এবং উপরে অনুচ্ছেদ “গ” এর আবেদন অনুসারে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীবৃন্দসহ সকল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীবৃন্দের ২০০৯ইং সন পূর্ববর্তী জাতীয় বেতন স্কেলের ধারাবাহিকতায় ২০০৯ইং সন ও ২০১৫ইং সনে প্রবর্তিত ৭ম ও ৮ম বেতন স্কেলের করেসপন্ডিং গ্রেডে (Corresponding Grade) গ্রেডভুক্ত করত: নিয়মিত কর্মচারীদের ন্যায় নতুন মূল বেতন ভিত্তি ধরে পেনশন পুন: নির্ধারণের সু-ব্যবস্থা করার আজ্ঞা হয়।

বিনীত নিবেদক

১) ললিত কুমার দে

অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার

সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার,

সোনালী ব্যাংক লিমিটেড,

রামগড়,খাগড়াছড়ি।

মোবাঃ-01715-520214

২) সুকান্ত মজুমদার

অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার

সিনিয়র অফিসার,

সোনালী ব্যাংক লিমিটেড,

চাক্তাই, চট্টগ্রাম।

মোবাঃ-01818-738961

 

About gssnews2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*