Home / চলতি খবর / জৈন্তাপুরে অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীন কয়েকটি ঘর-বাড়ী : হুমকীর মুখে মসজিদ

জৈন্তাপুরে অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীন কয়েকটি ঘর-বাড়ী : হুমকীর মুখে মসজিদ

সালমান শাহ্ জৈন্তাপুর (সিলেট): সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের সাড়ী নদী সংযুক্ত সাড়ী নদীর উত্তর পাড়ে শেওলারটুক গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া নলজুড়ি নামক খালটি লাগাতার ভাঙ্গনের ফলে খাল টি এখন বিরাট নদীতে পরিণত হয়েছে। ফলে কয়েকটি পরিবার ভিটে মাটি ছেড়ে চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিগত দিনের টানা বর্ষণে ভয়াবহ ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে প্রায় ১৫টি পরিবারের বসত ঘরবাড়ি। সরেজমিনে গিয়ে শেওলারটুক গ্রামবাসীর সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, অনেক বছর পূর্বে সাড়ী নদী সংযুক্ত এই খালটির ছিল সরু এতে তীব্র ভাঙ্গনের ফলে পর্যায়ক্রমে ভেঙ্গে ভেঙ্গে সরু খালটি এখন বিরাট নদীতে পরিণত হয়েছে। এতে বেশ কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়েছে বিশেষ করে শেওলারটুক গ্রামের ছানাউল্লাহ, আব্দুল খালেক, নুরনবী ও সহিদুল ইসলাম এরা একবাড়ীতে পরিবার পরিজন নিয়ে প্রায় ১৫-২০ জন লোক বসবাস করতো তাদের থাকার ঘর সহ বাড়ীটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়াও ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে খালের পাড়ের একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ। খালের ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় যে কোন সময় তলিয়ে যেতে পারে জামে মসজিদটি। এই খালের ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারণ করায় মাথা গোঁজার ঠাঁই হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন অনেক গুলো পরিবারের লোকজন। শেওলারটুক এলাকার সাবদুল মিয়া ও ছানাউল্লাহ বলেন, বিগত কয়েক বছর যাবত এই খালের ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় ফসলি জমি ও কয়েকটি পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। যে কোন সময় বিলিন হবে আমাদের জামে মসজিদ। ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছি।এলাকাবাসীরা বলেন সাড়ী নদীর উত্তর পাড়ের শেওলারটুক ও ভাওন হাওর গ্রামের অর্ধ শত পরিবার এবং শেওলারটুক জামে মসজিদকে ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করতে স্থায়ী সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। এবিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কে নিয়ে সরেজমিন তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

About gssnews2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*