Home / চলতি খবর / আখাউড়ার ইউএনও অপসারনের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আখাউড়ার ইউএনও অপসারনের দাবীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

ইসমাইল হোসেন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিক সমাজ। বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এই মামলার ঘটনায় ইন্ধনের অভিযোগে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অপসারন দাবি করা হয়। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আখাউড়া ইউএনও। মানববন্ধনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খ.আ.ম. রশিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সাধারণ সম্পাদক দীপক চৌধুরী বাপ্পী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন জামি, সাবেক সাধারন সম্পাদক সাদেকুর রহমান, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, জেলা সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক আব্দুন নুর,সিনিয়র সাংবাদিক জাবেদ রহিম বিজন, আখাউড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, আখাউড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিম মিশু,আখাউড়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক হান্নান খাদেম, আখাউড়া টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক ফজলে রাব্বি প্রমুখ। বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনার ইন্ধনে সাংবাদিক হান্নান খাদেম ও মহিউদ্দিন মিশু বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন একজন শিক্ষক। সংবাদ প্রকাশের ২৫দিন পর মামলাটি করিয়েছেন। তিনি বিষয়টি সমাধান করে দেবেন বলে সভা ডেকেও তা সমাধান করেননি। অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীর পাশাপাশি আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনার দ্রæত অপসারন দাবী করেন। অন্যথায় কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারী দেয়া হয় মানববন্ধনে। এই বিষয়টি আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হক এর নির্বাচনী এলাকা হওয়ায় তাঁর হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাংবাদিক সমাজ। পরে সাংবাদিকরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। তবে অভিযোগে বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা মুঠোফোনে যুগান্তরকে জানান বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বসার পরিবেশ তারা (সাংবাদিকরা) পরিবেশ তৈরি করতে পারিনি। তাই বসা হয়নি। অপসারন চাইতেই পারে। তাদের স্বাধীনতা আছে, তারা চাইতে পারে বলে তিনি জানান। উল্লেখ্য: ২০১৯ সনের ১৪ নভেম্বর জেএসসি’র গণিত পরীক্ষা চলাকালে ওই দুই সাংবাদিক পেশাগত কাজে জেলার আখাউড়া রেলওয়ে স্কুল কেন্দ্রে যান এবং পরের দিন ১৫ নভেম্বর জাতীয় দৈনিকে ওই কেন্দ্রের নকলের সংবাদ প্রকাশ করেন। নকলের সংবাদ প্রকাশ করায় ২৫ দিন পর মামলা করেন আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ উচ্চ বিদ্যালেয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক কাজী ইকবাল। মামলার অভিযোগ সাংবাদিকেরা জোরপর্বক কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন এবং মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু মামলার বাদীর ওই দিন ওই কেন্দ্রে ডিউটি ছিল না। তিনি ওই কেন্দ্রও ছিলেন না। ওই কেন্দ্রের সচিব, সহকারী সচিব বা ডিউটিরত কোন শিক্ষক মামলা করেননি। মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি।

 

About gssnews2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*