Home / চলতি খবর / মৌলভীবাজারে করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার ও দেশবিরোধী অপপ্রচার

মৌলভীবাজারে করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার ও দেশবিরোধী অপপ্রচার

চিনু রঞ্জন তালুকদার, মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজারে করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার ও দেশবিরোধী অপপ্রচার করছে একটি চক্র। সরকার ও দেশবিরোধী একটি চক্র করোনাকে উপলক্ষ করে তাদের রাজনৈতিক ফায়দা লুটে নিচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন এসব দেখেও ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের অপপ্রচারের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলছে। সম্প্রতি বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আসা প্রবাসীদেরকে ১৪দিন হোম কোয়ারান্টাইনে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয় এবং কোন প্রকার জমায়েতে যাওয়া যাবেনা মর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা অমান্য করে একজন প্রবাসী জনসম্মুখে প্রকাশ্য ঘুরছেন এ সংক্রান্ত সংবাদ জেলার একজন সিনিয়র সাংবাদিক তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে তুলে ধরলে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করে উক্ত ব্যক্তিকে ১৪দিনের হোম কোয়ারান্টাইনে পাঠানো হয়। এ ঘঠনার সুত্র ধরে, বেলাল তালুকদার  নামীয় একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আইডি থেকে একের পর এক সরকার বিরোধী অপপ্রচার করতে থাকে। এ নিয়ে বেলাল তালুকদার তার আইডিতে লিখেন, “ নানা মনে হয় মঙ্গল গ্রহ থেকে আসছেন। আপনী জানেন না কামরান ভাই সরকার দলের আর আয়াছ ভাই বিরোধী দলের। শুধু ভাইরাস নয় এর বাপ ও সরকার দলীয় নেতাদেরকে ভয় পাইবে”। বেলাল এর আইডি থেকে জানা গেছে- এ সব অপপ্রচার আজ থেকে নয়। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শুরু। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সরকারের এক মন্ত্রীর ছবি দিয়ে লিখেন “খন্দকার মুশতাক একটা কুলাঙ্গার” জবাবে লিখেন “ কেবল কুলাঙ্গারের পক্ষেই অন্যকে কুলাঙ্গার বলা সম্ভব”। অপর একটি পোষ্টে লিখেন- “ পিরোজপুরে বিএনপি নেতার বাড়ীতে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অগ্নিসংযোগ”। “শেখ হাছিনা ঘোষিত দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের সৈনিকরা যুদ্ধের ময়দানে”। অপর একটি লিখেন- “ মেয়র আর মন্ত্রীরা বললেন, “ডেঙ্গু গুজব” বাংলাদেশের মন্ত্রীদের দায়বদ্ধতা নেই কিন্তু জনগণ দায়বদ্ধ (!) না হলে জনগণ তাদের মুখে——”। ক্ষমতায় থেকে আসলেই এরা পাগল হয়ে গেছে, মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে এরা মশকরা করছেসহ সরকার বিরোধী একাধিক অপপ্রচার, নানা মিথ্যা উক্তি প্রচার করে আসছে। জানা গেছে- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনা নিয়ে নানা অপপ্রচার ঠেকাতে সরকারের তিনটি সংস্থা বিটিসিএল’র ‘সাইবার থ্রেট ডিটেকশন এ্যান্ড রেসপন্স টিম’ ‘পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি এ্যান্ড ক্রাইম ইউনিট’ (সিটিটিসি) ও বিটিআরসি কাজ করছে। এরপরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করোনা নিয়ে অপপ্রচার রোধ করা যাচ্ছেনা। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শকে ¤¬ান করে দিচ্ছে অপপ্রচারের মাধ্যমে। বাজারে দ্রব্য মূল্য বাড়ানোর ক্ষেত্রেও পোস্টগুলো মারাত্মকভাবে দায়ী। তাদের অপপ্রচারের বড় মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। ইন্টারনেটে নানা ধরনের গুজব অপপ্রচার ছড়িয়ে সামাজিক-রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজে নানা ক্ষতি কর প্রভাব ফেলছে। করোনার সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছেন দেশের মানুষ। এই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থেকে মনের ওপর তৈরি হয় বাড়তি চাপ।

About gssnews2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*