Home / চলতি খবর / ইসলামপুরে যমুনার তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে ভাঙ্গন

ইসলামপুরে যমুনার তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে ভাঙ্গন

রোকনুজ্জামান সবুজ, জামালপুর: ইসলামপুরে যমুনার বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বন্যা শুরু হতে না হতেই বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন যমুনা পাড়ের বাসিন্দারা।
বাঁধে ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় হুমকীর মুখে পড়েছে উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের মোরাদাবাদ ঘাট থেকে কুলকান্দি হার্ডপয়েন্ট পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটিও। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে পড়বে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ফসলি জমি, স্থাপনাসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।
জানা যায়, যমুনা নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ফুটানী বাজার থেকে সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউনিয়ন পর্যন্ত তিনটি পয়েন্টে ৪৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ দশমিক ৫৫ কিলোমিটার যমুনার বামতীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাঁধ নির্মাণ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ২০১০ সালে শুরু হয়ে ২০১৭ সালে শেষ হয় এই প্রকল্পের কাজ। ইলামপুর আসনের এমপি ফরিদুল হক খানের ঐক্লান্তিক প্রচেষ্টায় বাঁধটি নির্মাণ করায় যমুনার ভাঙ্গন রোধ হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কয়েক দিন থেকেই ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে বাঁধে। ইতোমধ্যে বাঁধের চারটি পয়েন্ট নদীগর্ভে ধসে গেছে। ধসে যাওয়া পয়েন্টগুলো হলো- মোরাদাবাদ নৌ-ঘাটের দক্ষিণ পাশে দুইটি শশারিয়াবাড়ী বেড়পাড়ায় একটি এবং শশারিয়াবাড়ী খানপাড়া একটি। এতে হুমকীর মুখে পড়েছে যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধ। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মোরাদাবাদ ঘাট থেকে কুলকান্দি হার্ট পয়েন্ট পর্যন্ত ২ দশমিক ৫০ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
পাথর্শী ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আলম বাবুল জানান, মোরাদাবাদ ঘাট ও শশারিয়াবাড়ি, খানপাড়া এবং কুলকান্দি এলাকায় যমুনার বামতীর সংরক্ষণ বাঁধের ভাঙ্গন দ্রুত প্রতিরোধ করা না হলে বসতবাড়ী ও ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাঁধ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নিলে নদী ভাঙ্গন ও অকাল বন্যার হাত থেকে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের মানুষ রক্ষা পাবে।
স্থানীয় এমপি ফরিদুল হক খান দুলাল জানান, বাঁধের বেশ কয়েকটি স্থানে ধস দেখা দেওয়ার খবর পেয়েছি। ভাঙ্গন রোধে জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। বাঁধের ধ্বসে যাওয়া অংশ দ্রুত সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা চলছে।

 

About gssnews2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*