চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০  

শিরোনাম

ডিএসসিসি’তে জালিয়াতিতে সৃষ্ট ১২৪ দোকান নিয়ে চলছে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের চূড়ান্ত মহড়া 

জিএসএসনিউজ ডেস্ক :    |    ০৭:২৮ পিএম, ২০২০-১১-০২

ডিএসসিসি’তে জালিয়াতিতে সৃষ্ট ১২৪ দোকান নিয়ে চলছে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের চূড়ান্ত মহড়া 

মেয়র এবং সিন্ডিকেট চক্রের মাঝে বিজয়ী হবেন কে? লুটপাটের নীলনকঁশা বাস্তবায়নে চিহ্নিত কর্মকর্তাদের রহস্যজনক ব্যস্ততা  

আসাদুজ্জামান বাবুল : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস যোগদানের পর নানা অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ডিএসসিসি’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আসাদুজ্জামান, সাবেক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার ও বিএনপি’র সাবেক মহাসচিব মরহুম মান্নান ভূঁইয়ার সহযোগী ডিএসসিসি’র মাফিয়াচক্রের আরেক অন্যতম সদস্য নগর পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা ও রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা আতাহার আলী খানকে তৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে চাকুরীচ্যুত করে ডিএসসিসি’র হারানো গৌরবকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। যা সর্ব মহলে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। অথচ তার নিযুক্ত কর্মকর্তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দুর্নীতির দায়ে চাকুরিচ্যুত পূর্বসুরী কর্মকর্তাদের এজেন্ডা বাস্তাবায়নে। জালিয়াতির মাধ্যমে বরাদ্দ করা ১৪৪টি দোকান ঢাকা ট্রেড সেন্টারের ৫ তলায় ১৪৬ গ্রুপের ১৪৪টি এবং ৪৯ গ্রুপের ৪৯টি দোকান বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া চুড়ান্ত বলেও নির্ভশীল সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।
মার্কেটগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী মাফিয়াচক্র। কোনো আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে সকলের চোখে ধুলো দিয়ে এই সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের দিনের আলোয় সাগর চুরির গোমর বেঁড়িয়ে এসেছে। ডিএসসিসি’র প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো: ইউসফ আলী সরদারের পরিকল্পনায় এই সাগর চুরির ঘটনা ঘটেছিলো মর্মে গুরুতরো অভিযোগ রয়েছে। রেলওয়ের জায়গায় তৎকালীন সিটি কর্পোরেশন (বর্তমানে ডিএসসিসি) কর্তৃক প্রকৃত ব্যবসায়ীদের তালিকা নিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ফায়দালোভীরা ধাপে ধাপে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের পর্যায়ে নিয়ে যায়।  
অভিযোগ রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারসহ বরাদ্দ জালিয়াতি ও ভাড়া হিসেবে বছরের পর বছর সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটটি লুটপাটের স্বর্ণখনিতে পরিণত হওয়া মার্কেট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া অব্যাহত রেখেছে।   
উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে ঢাকার ১০টি মার্কেট বাংলাদেশ রেলওয়ের এষ্টেট বিভাগ থেকে দোকানদারদের তালিকাসহ সিটি করপোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বঙ্গবাজার মার্কেটে ৬৩৭ জন, গুলিস্থান মার্কেটে ৬০৮ জনের তালিকা দেয়ার ২ বছর পরে আবারো নতুন করে বঙ্গবাজার মাকেটের জন্য ৪৯ জন ও গুলিস্থান মার্কেটের জন্য ১৪৬ জনের নামের একটি তালিকা সিটি করপোরেশনে জমা দেয়া হয়। আংশিক সালামীর টাকা জমা নিয়ে  যথারীতি এসব দোকানের মাসিক ভাড়া ও নামজারী প্রক্রিয়া চালু হয়। 
সিটি কর্পোরেশনরে একজন সাবেক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে গুলিস্তান মার্কেটের ১৪৬ জনের নামের যে তালিকা হয়েছিল  তা জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে মর্মে দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে। তদন্ত কমিটি ২০১১ সালে সেই মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ১৯৮৮ সালের ২০ আগষ্ট  রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন দুর্নীতি দমন কমিশন। মামলা নং-২০(৮)৮৮ তারিখ: ২০/০৮/১৯৮৮ইং। 
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত দোকান মালিকদের নামের যে তালিকা সিটি কর্পোরেশনের কাছে পাঠানো হয়েছিলো সেখানে তালিকাভুক্তদের নামের বিপরীতে কারো স্থায়ী বা বর্তমান কোনো ঠিকানা উল্লেখ ছিলো না। শুধু মাত্র নাম ও পিতার নাম উল্লেখ ছিলো। ফলশ্রুতিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তা কারো কোনো খোঁজ-খবর নিতে পারেননি। 
মজার ব্যাপার হলো, ১৪৬ জনের নামের তালিকার মধ্যে ১৪৪ জনের নামে কিস্তিতে ১৫-৩৫ হাজার টাকা করে সিটি কর্পোরেশনের তহবিলে  জমা দেয়া হলেও মার্কেটে তাদের কোনো দোকানই ছিলোনা। পরবর্তিতে সিটি কর্পোরেশন দুর্নীতি দমন কমিশনের নির্দেশে উক্ত তালিকাভুক্তদের নামে টাকা জমা নেয়া বন্ধ করে দেয় সিটি কর্পোরেশন। ফলে উক্ত তালিকাভূক্তদের কেউই ভয়ে উক্ত দোকানের খোঁজ খবর নিতে যায়নি।
ইতিমধ্যে ২০০৬ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন উক্ত মামলার চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। উক্ত দোকানগুলো আত্মসাতের হীন  উদ্দেশ্যে তৎকালীন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ধুরন্ধর প্রকৃতির ইউসুফ আলী সরদার পরিকল্পনা তৈরি করেন। 
সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ২০১৭ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার মাফিয়াচক্রের সদস্যদের নিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে দোকানগুলো হজম পরিকল্পনা তৈরি করেন। 
উক্ত দোকানগলোর মধ্য থেকে ১২৪টি দোকান কোন পদ্ধতিতে হজম করা য়ায়, তার বিস্তারিত তথ্য, নেতৃত্বে থাকা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ ঢাকা ট্রেড সেন্টার উত্তর দোকান মালিক সমিতির (গুলিস্তান হকার্স মার্কেট) সভাপতি মজু চেয়ারম্যান এবং সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা, জহির, জসিম উদ্দিন সবুজগংদের জানিয়ে দেন বলে সুত্রটি জানিয়েছেন। 
লুটপাটের নীল নকশাঁ বাস্তবায়নে জসিম উদ্দিন সবুজকে সভাপতি ও নাজমুল হুদাকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি তথাকথিত ভূয়া সমিতি বানিয়ে রেলওয়ের প্রদত্ত তালিকাভুক্তদের নাম ব্যবহার করে ১২৪টি দোকানের প্রত্যেকটি দোকানের ১ লাখ টাকার বকেয়া অংশের কিস্তির টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনে জমা দেয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে।এই ১২৪ টি দোকানের জন্য ১২৪ জনের নামে এক হাজার টাকার দোকান বরাদ্দের ফরম ও হলফ নামায় এবং ভূয়া আইডি কার্ডের ফটোকপি ও ভুয়া ছবি সংযোজন করে করে মহা-জালিয়াতির মাধ্যমে ঐ ১২৪টি দোকান বরাদ্দ নিয়ে ৩০-৩৫ লাখ টাকা করে দোকানগুলো বিক্রয় করে মাফিয়া সেন্ডিকেটের সদস্যদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়রা করে নেওয়া হয়েছে মর্মে সূত্রটি জানিয়েছে।
ডিএসসিসি’র কর কর্মকর্তা (বাজার শাখা) এই সাগর চুরির কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ালে প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও মাফিয়াচক্র মিলে তাকে বদলী করে নিজেদের পছন্দের কর্মকর্তাকে কর কর্মকর্তা (বাজার শাখায়) নিয়োগ দিয়ে সাগর চুরির প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন বলেও গুরুতরো অভিযোগ রয়েছে। 
অপরদিকে, ঢাকা ট্রেড সেন্টারের ৫ তলায় ১৪৬ গ্রুপের ১৪৪টি এবং ৪৯ গ্রুপের ৪৯টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও সূত্রটি জানায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ১৪৪টি দোকানের মধ্যে ভূয়া সমিতির জালিয়াতের মাধ্যমে করা ১২৪টি দোকান এবং ২০জন মুল মালিকের ২০টি দোকান সর্বমোট ১৪৪টি দোকানসহ সর্বমোট ১৯৩টি দোকান বরাদ্দ দেওয়া প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করা হয়েছে । ঢাকা ট্রেড সেন্টারের ৫ম তলার নির্মাণ কাজ শেষে গেছে এখন বরাদ্দ প্রক্রিয়া চুড়ান্ত হয়েছে।
সূত্রটি জানায়, উক্ত মার্কেটের  ৫ম তলায় প্রায় ৩০০টি দোকান নির্মিত হয়েছে। উক্ত পূর্বের বরাদ্দ বুঝে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ১৯৩টি দোকান, অবশিষ্ট থাকবে ১২৪টি ও অতিরিক্ত ১০৭টি দোকান মোট ১৭৬টি দোকান পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে অপেন টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হলে ডিএসসিসি’র এক-একটি দোকান ৩৫-৪০ লাখ টাকা দরে বিক্রয় করতে পারবেন। এতে প্রচুর রাজস্ব  জমা হবে ডিএসিসি’র কোষাগারে। 
লুটপাটের এ মহা-জালিয়াতিকে পুকুর চুরি তো নয়ই, সাগর চুরি বললেও কম বলা হবে। তবে যাই বলা হোক না কেন লুটেরা মাফিয়াচক্রের পেটে শ’শ’ কোটি টাকা ঢুকলেও সরকারের রাজস্ব বিভাগে এক কানা কড়িও জমা পড়েনি । 
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যোগাযোগ করলে প্রধান  রাজস্ব কর্মকতা আরিফুল হক “ফাইল দেখে তার পর বলতে পারবো”মর্মে গৎবাধা উত্তর দিয়ে তার দায় সেরেছেন।
বছরের পর বছর ডিএসসিসি’র মাফিয়া-লুটেরাদের হরিলুট পরিমাণে ক্যাসিনোকান্ডের জিকে শামিম গংদের সম্মিলিত লুটপাটকেও ছাড়িয়ে যাবে। সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক নেপথ্যের নাটের গুরুসহ সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে তাদের লুটকৃত অর্থ, স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি, ফ্ল্যাটবাড়ী, গাড়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমাদানের পাশাপাশি ভূক্তভোগী ব্যবসায়ীদের ন্যয্য অধিকার ফিরিয়ে দেয়াটা সময়ের দাবী মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী এবং ওয়াকিবহাল মহল।
 

রিটেলেড নিউজ

শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য ৩ প্রার্থী প্রচার প্রচারণায় সজল এগিয়ে

শাহজাদপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য ৩ প্রার্থী প্রচার প্রচারণায় সজল এগিয়ে

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ থেকেঃ  আসন্ন শাহজাদপুর  পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে   বিএনপি’র ধানের ...বিস্তারিত


আখাউড়ায় নিজ বসতবাড়ির জায়গা দখলবাজদের কাছ থেকে ফিরে পেতে ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আখাউড়ায় নিজ বসতবাড়ির জায়গা দখলবাজদের কাছ থেকে ফিরে পেতে ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : ইসমাঈল হোসেন  (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় নিজ বসতবাড়ির জায়গা দখলবাজদের কাছ থেক...বিস্তারিত


আখাউড়ায় সরকারি খাল ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

আখাউড়ায় সরকারি খাল ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : ইসমাঈল হোসেন (ব্রাহ্মনবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় সরকারি খাল ভরাট করে স্থাপনা নির্...বিস্তারিত


রোগী সুস্থ করবে কী নিজেই অসুস্থ আখাউড়ার ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স :  সাধারণ মানুষের নানান অভিযোগ

রোগী সুস্থ করবে কী নিজেই অসুস্থ আখাউড়ার ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স :  সাধারণ মানুষের নানান অভিযোগ

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : ইসমাঈল হোসেন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্...বিস্তারিত


আসন্ন কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে একজন আদর্শবান রাজনীতিবিদ ও সমাজ প্রিয় ব্যক্তিত্ব মেয়র প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন 

আসন্ন কমলগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে একজন আদর্শবান রাজনীতিবিদ ও সমাজ প্রিয় ব্যক্তিত্ব মেয়র প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন 

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শাহ মোঃ মোতাহির আলী আজমী, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): কমলগঞ্জ উপজেলার কুমড়াকাপন গ্রাম হচ্ছে একটি মার্জিত...বিস্তারিত


আখাউড়ায় ভাঙ্গারির দোকান থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

আখাউড়ায় ভাঙ্গারির দোকান থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার পরিত্যক্ত মর্টার শেল উদ্ধার

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : ইসমাঈল হোসেন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) :  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ভাঙ্গারির দোকান থেকে মুক্তিযুদ্...বিস্তারিত



সর্বপঠিত খবর

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খোশনবীশের দুরদর্শীতায় মীরপুর বাংলা স্কুল এ্যান্ড কলেজের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মাননা লাভ

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খোশনবীশের দুরদর্শীতায় মীরপুর বাংলা স্কুল এ্যান্ড কলেজের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মাননা লাভ

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : আসাদুজ্জামান বাবুল : গ্রীক বীর 'আলেক্সান্ডার দ্য গ্রেট' ভারতীয় উপমহাদেশে পদার্পণ করেই এখনকার প...বিস্তারিত


কীর্তিমান সমাজ সেবক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর কর্মজীবন ও কমলগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ছলিমবাড়ী পরিবারের কৃতিত্ব 

কীর্তিমান সমাজ সেবক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর কর্মজীবন ও কমলগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ছলিমবাড়ী পরিবারের কৃতিত্ব 

জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শাহ মোঃ মোতাহির আলী আজমী, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলা একটি বৈচিত্র্যময় উ...বিস্তারিত



সর্বশেষ খবর