চট্টগ্রাম   বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১  

শিরোনাম

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সিরাজগঞ্জের ঘুড়কা শাখায় করোনা প্রনোদনা ঋন দেবার কথা বলে ঘুষ গ্রহন!

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সিরাজগঞ্জের ঘুড়কা শাখায় করোনা প্রনোদনা ঋন দেবার কথা বলে ঘুষ গ্রহন!

জিএসএসনিউজ ডেস্ক :    |    ০৪:৪০ পিএম, ২০২১-০৯-০৮

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সিরাজগঞ্জের ঘুড়কা শাখায় করোনা প্রনোদনা ঋন দেবার কথা বলে ঘুষ গ্রহন!

এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক সিরাজগঞ্জের ঘুড়কা শাখায় করোনা প্রনোদণা ঋন দেওয়ার কথা বলে ব্যাংকের দুই নিরাপত্তা প্রহরী কর্তৃক শাখা ব্যবস্থাপক এক সিনিয়র অফিসারের নাম ভাঙ্গিয়ে ৮হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জনৈক ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার কর্তৃক ভুক্তভোগিকে হাজার টাকা ফেরত এবং অবশিষ্ট ঘুষের হাজার টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ধাপাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবে একটি রাস্ট্রয়াত্ত্ব ব্যাংকের  শাখাটি ঘুষের আখড়ায় পরিনত করায় ব্যাংকটির ভাবমুর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন করা হয়েছে। ভুক্তভোগিরা ব্যাংকটির ভাবমুর্তি রক্ষার স্বার্থে তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন

অভিযোগে জানাগেছে,সলঙ্গা বাজারের স্বর্ণকার পট্রির ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শরীফুল ইসলাম শওকত এর ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধির জন্য অর্থের প্রয়োজন দেখা দেয়। এরই একপর্যায়ে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ঘুড়কা শাখার অধিনস্থ নৈশপহরী বাবুল রুবেল তাকে শাখা ব্যবস্থাপক সিনিয়র অফিসারের মাধ্যমে তাকে এক লক্ষ টাকা করোনা প্রনোদনা ঋণ পাইয়ে দেবার কথা বলে এক লক্ষ টাকা ঋণের বিপরীতে % হারে অগ্রীম আট হাজার টাকা ঘুষসহ জমির ১৫টি দলিল, ৪টি খাজনা খারিজের রশিদ ট্রেড লাইসেন্স সংযুক্ত একটি কোর্ট ফাইল গত ০১/০৯/২০২১ইং তারিখ সকাল ১১টার সময় ব্যাংকের নীচ তলায় অবস্থিত একটি গার্মেন্টসের দোকানে বসে গ্রহন করে। এসময় ভুক্তভোগি শরীফুল ইসলাম শওকত শাখা ব্যবস্থাপকের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা তাকে বলেন এসংক্রান্ত বিষয়ে স্যার আপনার সাথে কোন কথা বলবেন না। কারণ তার মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে ঋনের বিপরীতে চুক্তির পার্সেন্টেন্স এর টাকা ফাইলপত্র আমরা দুইজনই জমা নেই সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলি। তখন তাদের এমন কথায় তিনি আশ্বস্ত হয়ে এবং বিশ্বাস স্থাপন করে শাখা ব্যবস্থাপকের সাথে কথা না বলে নগদ হাজার টাকা কাগজপত্র সংযুক্ত ফাইল তাদের কাছে জমা দিয়ে চলে যান। সময় নৈশ প্রহরী বাবলু নিজেকে একজন সুপার ভাইজার হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন। কিন্তু পরে ভুক্তভোগি শরীফুল ইসলাম শওকত  ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন তিনি সুপার ভাইজার নন তিনি একজন নৈশ প্রহরী। এদিকে নৈশ প্রহরী বাবলু রুবেল ভুক্তভোগিকে যে আশ্বাস দিয়ে তার নিকট থেকে নগদ ৮হাজার টাকা ফাইল জমা নিয়েছিল