শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৫:১৬ পিএম, ২০২৫-০৫-২৫
আ ন ম তাজওয়ার আলম: বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক সাংবাদিক কলমের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, কিন্তু এমন একজন সম্পাদকও কি আছেন যিনি সরাসরি রাজপথে নেমে, পরিবারকে পাশে রেখে, নিজের সর্বস্ব বাজি রেখে একটি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন? বাংলাদেশের সেই সাহসী সম্পাদক শুধু সংবাদপত্রের সম্পাদকই নন, তিনি একাধারে দক্ষ সাংবাদিক, রাজনৈতিক সংগঠক ও মানবাধিকারের এক প্রজ্জ্বলিত আলো। তিনি ‘লাভ বাংলাদেশ পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। একাধারে তিনি দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম, দৈনিক আমাদের বাংলা, এবং আরও চারটি পত্রিকার সম্পাদক। সম্পাদক হিসেবে তার লেখনি যেমন বলিষ্ঠ, তেমনি কর্মযাত্রাও ছিল অন্য সবার থেকে আলাদা। রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়া এক বাঘের গর্জন জুলাই বিপ্লব চলাকালে তিনি শুধু স্লোগানে মুখর হননি, রাজপথে নেমে এসেছিলেন পরিবারের সদস্যদের নিয়েও। সবচেয়ে বড় মেয়ে তখন অনার্স প্রথম বর্ষে, মেজো মেয়ে ইন্টারমিডিয়েটের প্রথম বর্ষে, আর ছোট মেয়েটি মাত্র ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ছে। এ রকম একটি কোমল ও নির্ভরশীল পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে অবস্থান করা, চোখে চোখ রেখে ফ্যাসিস্ট বাহিনীর মোকাবিলা করা—এ যেন এক বীর যোদ্ধার আধুনিক রূপ। গুলির সামনে দাঁড়ানো মানুষটি বলেছিলেন, “আমার যা কিছু আছে, তা ছাত্রদের জন্য। আমি জীবন বিলিয়ে দিতে এসেছি।” এই মানুষটির নাম মিজানুর রহমান চৌধুরী—তিনি শুধু একজন সম্পাদক নন, এক সাহসী অভিভাবক, যিনি রণক্ষেত্রে সন্তানদের নিয়ে গিয়েছেন; আর তাই তার কণ্ঠেই শোনা গিয়েছিল: “এক দফা এক দাবি, হাসিনা তুই কই যাবি!” লাভ বাংলাদেশ পার্টির প্রেম ও প্রতিবাদ তার রাজনৈতিক দল লাভ বাংলাদেশ পার্টি—নামে যেমন ভালোবাসা, কাজে তেমনই প্রতিবাদ। দেশের প্রতি এই ভালোবাসা থেকেই তিনি এই পার্টির নামকরণ করেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আজও কোনো সরকারি বৈঠকে তার দলকে ডাকা হয়নি। তিনি বলেন, “এই সরকারই তো জুলাই বিপ্লবের ফসল। আমি সেই বিপ্লব করেছি পরিবারসহ ঝাঁপিয়ে পড়ে। সরকার চাইলে আমাদের মতামত শুনতে পারে, না চাইলে তারাও জানে, আমি কোনো প্রতিদান চাই না।” ছাত্রদের প্রতি ভালোবাসা ও দুঃখ বিপ্লব সফল হলেও কিছু বিষয় তাকে পীড়া দেয়। তিনি বলেন, “ছাত্রদের প্রতি আমার ভালোবাসা সন্তানের মতো। আমি চেয়েছিলাম তারা আমার সঙ্গে পরামর্শ করুক, যাতে কিছু ভুলভ্রান্তি এড়ানো যায়। কিন্তু তারা আবেগে অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার কিছুটা মূল্যও দিতে হয়েছে।” এই সফল বিপ্লব রক্ষা করা কতটা কঠিন, সেটাও ছাত্ররা পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারেনি বলে তার আফসোস। তিনি বলেন, “বিদেশি প্রভাব, রাজনৈতিক অস্থিরতা—এসবের ভেতর দিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখা খুব কঠিন।” একজন সম্পাদক, একজন বিপ্লবী, একজন পিতা এই মানুষটির সাহস, উপলব্ধি এবং ত্যাগ শুধু একজন রাজনীতিক বা সাংবাদিক হিসেবে নয়, একজন পিতা, একজন স্বামী এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবেও অনন্য। নিজের পরিবারকে সামনে রেখে, জীবন ও মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে নেমে আসা—এটা ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। জুলাই বিপ্লবের পর ছাত্ররা তাকে শ্রদ্ধাভরে চিনেছে, কিন্তু তিনি চান—আন্দোলনের চেতনা যেন কেবল উত্তেজনায় হারিয়ে না যায়, বরং পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। তিনি চান একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক রাষ্ট্র, যেখানে স্বৈরাচার ও জুলুমের কোনো স্থান নেই। শেষ কথা তার জীবনের এই অধ্যায় শুধু বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসেই নয়, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও এক উজ্জ্বল মাইলফলক। একজন মানুষ যখন কলম ছাড়িয়ে জীবন নিয়ে যুদ্ধ করে, তখন তার সাহস শুধু সংবাদ নয়, প্রেরণাও হয়ে ওঠে।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শরীয়তপুর প্রতিনিধি : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন পরীক্ষিত সংগঠক ও প্রবাসী রাজনীতির ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : গিয়াস রনি,নোয়াখালী: প্রতিনিধি ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক তরুণকে ছুরিক...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: সদ্য স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তান হারানো বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সভাপতি ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: অনলাইন বিবাহ-তালাক রেজিস্ট্রেশন চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক:ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিন জারা ‘ফুটবল’ প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জা...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : সিলেট প্রতিনিধি: ২০০৪ সালের বিএনপির ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের পরপ্রায় ২২ বছর পর সিলেটে আসছেন বি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited