শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৭:৩১ পিএম, ২০২৬-০১-২০
নিউজ ডেস্ক : অধিকাংশ রান্নার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান লবন। মজাদার স্বাদের জন্য লবনই কৃতিত্বের দাবীদার। এই লবন নিয়ে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তিকর ধারণা প্রবল।
কিন্তু এই প্রয়োজনীয় উপাদানটি নিয়েই রয়েছে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি। রক্তচাপ বাড়া, সোডিয়াম বেড়ে যাওয়া কিংবা হার্টের ঝুঁকির ভয় দেখিয়ে অনেকেই আজকাল লবণ একেবারে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দেন। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দিমিত্রি ইয়ারানোভ এই প্রশ্নই তুলেছেন-লবণ কি সত্যিই আমাদের শত্রু?
তার মতে, বিষয়টি এতটা জটিল নয়। সোডিয়াম মানবদেহের জন্য অপরিহার্য একটি খনিজ। স্নায়ুতন্ত্রে সংকেত আদান-প্রদান, পেশির সংকোচন, শরীরের ভেতরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ-সবকিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে সোডিয়াম। শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি হলে এই স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়াগুলো ব্যাহত হতে পারে।
আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় সোডিয়ামের বড় উৎস হলো খাবারে ব্যবহৃত লবণ। তাই সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে পরিমিত লবণ খাওয়া ক্ষতিকর নয়। আসল সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন লবণ মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া হয়-বিশেষ করে খাবারের সঙ্গে কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।
তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে লবণ সত্যিই বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক কাদের লবণ ক্ষতিকর হতে পারে-
হৃদরোগীদের জন্য:হৃদরোগীদের জন্য লবণ শরীরে অতিরিক্ত তরল জমার কারণ হতে পারে, যা শ্বাসকষ্ট বা ফুসফুসে চাপ সৃষ্টি করে। আবার একেবারে লবণ বন্ধ করাও সমাধান নয়। এই রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন কতটা সোডিয়াম প্রয়োজন, তা নিয়ন্ত্রিতভাবে ঠিক করা জরুরি-কম বা বেশি, দুটিই ক্ষতিকর।
উচ্চ রক্তচাপ যাদের আছে :রেজিস্ট্যান্ট হাইপারটেনশনের রোগীদের জন্য লবণ আরও ভয়ংকর। তিন-চার ধরনের ওষুধ খাওয়ার পরও যদি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে লবণ কার্যত বিষের মতো কাজ করতে পারে। এক্ষেত্রে লবণ একেবারে বন্ধ করা বা অত্যন্ত সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করা দরকার, যা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে।
কিডনি রোগীদের জন্য: ক্রনিক কিডনি ডিজিজে আক্রান্তদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সোডিয়াম কিডনির অবনতি দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। শরীরের পানিবিন্যাস বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই কিডনির সমস্যায় লবণ গ্রহণে কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।
পোর্টাল হাইপারটেনশন রোগীদের :পোর্টাল হাইপারটেনশনের রোগীদের জন্যও অতিরিক্ত লবণ বিপজ্জনক। বেশি লবণ খেলে শরীরে তরল জমে গিয়ে ফোলাভাব দেখা দেয় এবং তরলের ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে ওঠে। একইভাবে প্রবীণদের ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধমনী শক্ত হয়ে যায়, ফলে অতিরিক্ত লবণ রক্তচাপের সংবেদনশীলতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
তাই প্রতিদিন রান্নায় যে পরিমাণ লবণ সাধারণত ব্যবহার করা হয়, সেটাই সুস্থ মানুষের জন্য যথেষ্ট। আলাদা করে বেশি লবণ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপের মতো কোনো শারীরিক জটিলতা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দৈনিক লবণের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। সুস্থ থাকার চাবিকাঠি লবণ পুরোপুরি বাদ দেওয়া নয়, বরং পরিমিত ও সচেতন ব্যবহার করা।
সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার, মীরসরাই সার্কেলের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ লিটার দেশীয় তৈর...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের পরিচিত ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক সংগঠ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার: আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম একজন সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হি...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শরীফুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ডিএমপি রিকশা-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের প্রবেশমুখে ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : জেলা প্রতিনিধি(ঠাকুরগাঁও): শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited