শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৮:৫১ পিএম, ২০২৩-০৭-০৮
সাঈদ মৃধা : গাজীপুর জেলা পাসপোর্ট অফিস ব্যাপক অনিয়মে ভরা। গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসে কয়েক মাস ধরে ব্যাপক ভিড় দেখা যাচ্ছে। বিদেশ যেতে ইচ্ছুক তরুণ ও যুবকরা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন জমা ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিচ্ছেন। আবেদন জমার লাইন মাঝে-মধ্যে দীর্ঘ হয়ে অফিসের বাইরে চলে যায়। পাসপোর্ট অফিসকে ঘিরে রয়েছে দালাল চক্র। অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দালালদের সাথে মিলেমিশে বাণিজ্য করছেন। পাসপোর্ট অফিসের নিচ তলায় আবেদন জমা দেওয়ার কাউন্টার। সেবাপ্রার্থীরা সেখানে আবেদন জমা দিতে গেলে নানা ভুল-ত্রুটি ধরে ফেরত দেওয়া হয়। পরে আবেদনকারীরা দালালদের কাছে যান। তাদের দাবিকৃত টাকা দিলেই বিশেষ সংকেত ব্যবহারের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হয়। সংকেত কোথায় থাকে : ট্যাংকির পাড় মোড়ের টেন্যান্সি ভবন থেকে পাসপোর্ট অফিস পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে বেশ কিছু কম্পিউটারের দোকান রয়েছে। দোকানগুলোতে প্রথমে অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ ও ব্যাংকে সরকারি ফি জমা দেওয়ার কাজ করা হয়। বেশির ভাগ দোকান দালালদের একেকটি চেম্বার। আবেদনের ৭৬ নম্বর কলামে সংশ্লিষ্ট দালালের নাম বা ছদ্মনামের একটি ই-মেইল উল্লেখ থাকে। বর্তমানে এটাই সংকেত। আবেদনকারীরা কাউন্টারে গেলে দায়িত্বপ্রাপ্তরা আগে পাতা উল্টিয়ে সংকেত আছে কি না দেখেন। সংকেত থাকলে সব ঠিক, না থাকলে ভুল ধরে ফেরত দেওয়া হয়। কোন আবেদনে কত ঘুষ : নতুন বা নবায়ন সংক্রান্ত সাধারণ আবেদনে এক হাজার টাকা, জন্ম তারিখ পরিবর্তনের আবেদনে ছয় হাজার টাকা ও জন্ম নিবন্ধন দিয়ে ১৮ বছরের কম বয়সীদের আবেদনে দুই হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। দালালরা অফিস সময় শেষে কর্মচারীদের হাতে টাকা বুঝিয়ে দেন। মাসে বাণিজ্য কোটি টাকা : গাজীপুর পাসপোর্ট অফিসে কয়েক মাস ধরে দৈনিক গড়ে ৫০০-৭০০ আবেদন জমা হচ্ছে। ব্যক্তি বিশেষের কিছু আবেদন বিনা ঘুষে নেওয়া হয়। বাকিগুলো থেকে দৈনিক কমপক্ষে পাঁচ লাখ টাকা হিসাবে মাসে আদায়কৃত ঘুষের পরিমাণ দাঁড়ায় এক কোটি ১০ লাখ টাকা। পদ অনুযায়ী তা ভাগ-বাটোয়ারা হয়। বেশ কয়েকজন সেবাপ্রার্থী নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, পাসপোর্ট অফিসে দালাল ছাড়া কাজ হয় না-এটা ওপেন সিক্রেট। দালাল ধরতে বাধ্য করার কারণে অতিরিক্ত টাকা খরচ হচ্ছে। তারা অফিস খরচের বাইরে কাজভেদে এক হাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিমাণে টাকা নেন। সরকারি প্রকল্পের আইটি ট্রেইনার সুজন বিশ্বাস নগরীর ছায়াবীথিতে থাকেন। তিনি পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করতে গেলে ম্যারিজ সার্টিফিকেট চাওয়া হয়। পরে দালাল ধরে দেড় হাজার টাকা দিলে আর কিছুই লাগেনি। এ ব্যাপারে সহকারী পরিচালক আফজালুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, অফিসে কোন দালাল নেই। আশেপাশে দোকানদারে ফরম পূরণ করে দেয়, মানুষকে হেল্প করে। দোকান বন্ধ হয়ে গেলে অনেক মানুষ পাসপোর্ট করতে পারবে না। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, আপনি দয়া করে সহকারী পরিচালক শহিদুল এর সাথে যোগাযোগ করেন তিনি, আপনাদের সাথে আলাপ আলোচনা করবেন। সহকারী পরিচালকের বাড়ী বরিশালে পরিবার ও ছেলে-মেয়ে থাকে ঢাকায়, আর শহিদুল থাকেন গাজীপুরে। সহকারী পরিচালক শহিদুলের যে বেতন তা দিয়ে ঢাকা শহরে থাকা খুব কঠিন। বর্তমানে গাজীপুর পাসপোর্ট অফিস নিয়ন্ত্রণ করেন শহিদুল। যেমন ঘুষ গ্রহণ করেন তেমনি বিভিন্ন জায়গায় বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লোকজনদের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেন এই শহিদুল। এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক শহিদুলের সাথে যোগাযোগ করলে শহিদুল বলেন, ফোনে কোন কথা বলবোনা অফিসে আসেন আপনাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবো।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : ঢাকা মেডিকেল প্রতিনিধি: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ মারা অবস্থায় যে ব্যক্তির মরদে...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুরঃ জামালপুরের ইসলামপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) ৪৮তম প্রত...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ,জামালপুরঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুরঃজামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলায় পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘট...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ,জামালপুরঃজামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পুলিশের ঝটিকা অভিযানে ৮৮ বোতল ভারতীয় মদসহ আ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ, জামালপুরঃ জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা বাজারে রাজীব বাসের রোড পারমিট বাতিল ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited