শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০১:২২ এএম, ২০২৩-০৬-১৯
আবু সাঈদ মৃধা : রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নাকের ডগায় আবাসিক ফ্ল্যাটে বিউটি পার্লার-সেলুনের আড়ালে জনৈক পান্নু আসিক ও শহিদের মাদক সেবনের আখড়া এবং রমরমা দেহব্যবসার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘেরা বনানীর ২৭ নং রোডের ৩৭ নং বাড়িতে বিউটি পার্লার ও সেলুনের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে নিরাপদে বসে মাদক সেবন ও দেহ ব্যবসার অভায়ারন্য । সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই অসামাজিক কার্যক্রম। রহস্যজনকভাবে থানা-পুলিশের ঝামেলা না থাকায় এখানে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মাদকসেবী ও পতিতাদের আনাগোনা। নষ্ট হচ্ছে যুবসমাজ ও সামাজিক পরিবেশ।
সংশ্লিষ্ট অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে আমাদের প্রতিনিধি সাংবাদিকের পরিচয় গোপন করে খদ্দের সেজে নির্ভিগ্নে উক্ত বাড়িটির লিফটের ৫ পেরিয়ে পৌছে যান পান্নু শহিদের তথাকথিত বিউটি সেলুনে । নানান বয়সের যুবক-যুবতীর পদচারণা আর ফিসফিসানিতে মুখরিত পরিবেশ।
সেখানেই প্রথমে কথা হয় মাদকের ব্যাপারে । প্রতিটি ইয়াবা ট্যাবলেটের দাম ৩৫০ টাকা । মেয়ে দিয়ে খাইয়ে দিলে দিতে হবে ৫০০ টাকা। এছাড়াও এক বোতল ফেনসিডিল মেলে ৪ হাজার পাচঁ শত টাকায়।মজার ব্যাপার হলো এখানে হাফ বোতল ফেন্সিডিল সেবনেরও ব্যবস্থা রয়েছে।এক্ষেত্রে হাফ বোতলের দাম রাখা হয় ২ হাজার পাঁচশত টাকা। মোটা অংকের মাসোহারায় সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ ম্যানেজ করা আছে মর্মে এ প্রতিবেদককে আশ্বস্থ করা হয। এমন আশ্বাসের সত্যতাও পাওয়া গেছে এখানে।পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে যে কারো চোখে নজর পড়ার মতো অবিরাম যুবক যুবতীদের যাতায়ত চললেও প্রশাসনের নজরে পড়ছেনা এটি।
সরেজমিন গোপন পরিদর্শনে আরো মিলল যুবসমাজ ধ্বংস ও সামাজিক পরিবেশ বিনষ্টের চাঞ্চলকর এক আইটেম। এখানে বিভিন্ন মাদক সেবনের পর সেবনকারীরা ইচ্ছে করলেই সহজে যৌন বাসনা মিটাতে পারে বিভিন্ন বয়সী পছন্দের রমনীর সাথে । এখানে বয়সের ভিন্নতা অনুসারে দরও ভিন্ন ভিন্নভাবে পরিশোধ করতে হয় খদ্দেরদের । এখানে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের জন্য গুণতে হবে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা । তাছাড়াও বিভিন্ন বয়সী ও নূতন –পুরাতনের উপর ভিত্তি করে নারীদেহের দামেরও ভিন্নতা রয়েছে। খদ্দরের চাহিদা মেটাতে ফোন করার অল্প সময়ে এসে হাজির হয় বিশেষ আকর্ষনীয় নারী ।
প্রশ্ন উঠেছে বনানীর মতো অভিজাত এলাকায় পুলিশ প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দিনের পর দিন মাদক আর দেহব্যবসার দু:সাহস তারা পেলো কোথায়? তারা কি আইনের উর্ধ্বে?রমরমা এ মাদক সেবন আর দেহব্যবসার নেপথ্যে কোন শক্তি রয়েছে? আশপাশের অনেকের নজরে পড়লেও সংশ্লিষ্ট বনানী থানা-পুলিশ কেন তা দেখতে পাচেছনা?
এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট ওয়াকিবহাল মহলের মতে মাদক আর অবাধ যৌনতার বাণিজ্য করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে পান্নু আশিক-শহীদগং সুখে ভাসলেও বিপদগামী হয়ে ডুবছে যুব সম্প্রদায়।বনানী থেকে সমাজ বিধ্বংসী এ আখড়ায় পুলিশী অভিযান চালিয়ে আশিক-শহীদগংসহ জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সময়ের দাবী।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার, মীরসরাই সার্কেলের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ লিটার দেশীয় তৈর...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের পরিচিত ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক সংগঠ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার: আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম একজন সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হি...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শরীফুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ডিএমপি রিকশা-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের প্রবেশমুখে ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : জেলা প্রতিনিধি(ঠাকুরগাঁও): শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited