শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৫:৪০ পিএম, ২০২২-০৬-২০
-ওয়াহেদুজ্জামান : দেশে এই মুহুর্তে লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি। আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে মানুষ। দি গার্ডিয়ান মৃত্যুর সংখ্যা জানালেও দেশের পত্রিকা চেপে যাচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, টেলিফোন নেটওয়ার্ক নাই, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ বন্দ হয়ে গেছে। মানুষ ঘরের চালে, গাছের ডালে বাস করছে। আশার কথা সিলেটে সেনাবাহিনী উদ্ধার কাজে নেমেছে।ক’দিন আগেই সিলেটে অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার ধকল না কাটতেই আবার নেমে এল দুর্যোগ। উজানে আসাম ও মেঘালয়ে প্রায় আড়াই হাজার মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ওই পানি ঢলে ভেসে যাচ্ছে সিলেট অঞ্চল। প্রায় প্রতি বছরে একই চিত্র।
মানুষ টিনের চালে, নৌকায় আশ্রয় পেলেও গবাদিপশুগুলির জায়গা নাই। বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। পূর্বাভাস কেন্দ্র বলছে, আগামী দুই দিনের আরো ১৭টি জেলা বন্যায় আক্রান্ত হতে পারে। দেশের ১০৯টি নদী পর্যবেক্ষণ করছে তার মধ্যে ৯৫টি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের মেঘালয়ে চেরাপুঞ্জিতে গত বৃহস্পতিবার ৯৭২ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা ১২২ বছরের মধ্যে রেকর্ড। মেঘালয় ও আসামে বৃষ্টি না কমা পর্যন্ত বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির আশা করা যায় না।
এ পর্যন্ত ৩০ জেলার ১৭৯টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এমন অনেক এলাকায় পানি উঠেছে, যেখানে গত কয়েক দশকে কোনো বন্যা হয়নি। এর জন্য দায়ী নদী রক্ষা বাধগুলির রক্ষানবেক্ষনে অবহেলা। বাঁধের আশে পাশে জন বসতি হওয়ায় ইঁদুরের চলে আসে কাছাকাছি। এই র্যাটহোলও বাঁধের ক্ষতি করে। বাঁধের নিয়মিত সংস্কার করা হয় না। সরকার যদি বা কিছু কাজ করতে যায়, তা একেবারে শেষ বেলায় ফলে মানুষের দূর্ভোগ বাড়তেই থাকে।
আকাশে ভাসছে বঙ্গবন্ধু সেটালাইট, জমিনে নাই রেসকিউ বোট। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন স্যার অভয় দিয়ে বলেছেন, - “ভয় নেই, আমরা আপনাদের পাশে আছি। আপনারা বিশ্বাস রাখতে পারেন, আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন আছে আপনাদের সব ধরনের সহায়তা দিয়ে যাবে”। আমরা বিশ্বাস করলাম এবং আশায় থাকলাম।
শুভংকর জিজ্ঞাসা করল,
-আচ্ছা, বলতো নন্দিনী। কে বেশী উপকারী, সুর্য না চাঁদ?
-কেন, চাঁদ! দিনের বেলায় যখন আলো থাকে তখন সুর্য উঠে, আর চাঁদ উঠে রাতের আঁধারে।
গতানুগতিক ধারায় অর্থ মন্ত্রী মুড়ি বান্ধব বাজেট পেশ করলেন। সাথে চলে এসেছে এমনেস্টির ঘোষনা। বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হালাল করার প্রক্রিয়া। আইনি সুরক্ষা দিয়ে ক্ষমা করা হবে এদেশের জনগনের পকেট কেটে অর্থ পাচারকারীদের। অনৈতিক, বেআইনি ও অবৈধ কর্মকাণ্ডকে এক ধরনের প্রণোদনা দিতে যাচ্ছে সরকার। উৎসাহিত করা হচ্ছে পিকে হাওলাদারদের মত টাউট বাটপারদের।
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের জমা করা টাকার পরিমাণ এক বছরের ব্যবধানে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। সুইজারল্যান্ডের আইন অনুযায়ী দেশটির ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য নয়। তারা কোন্ দেশের নাগরিকরা অর্থ জমা রাখছে তার একটি পরিসংখ্যান দিলেও গ্রাহকদের তথ্য গোপন রাখে। এক দশকে অর্থ পাচারের ক্ষেত্রে ‘কানাডার বেগমপাড়া’ সুনাম অর্জন করেছে। স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের ‘নব্য বেগমরা’ বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জসহ নানা দেশে বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচার হয়েছে-বলে শোনা যায়। টাকা পাচার হচ্ছে উন্নত দেশে। ক্ষমা করে দিলেই উন্নত জীবন ছেড়ে টাকার থলে হাতে করে তারা দেশে ফিরে আসবে কেন? মানি লন্ডারিং আইন কি তাহলে তুলে দেওয়া হবে ?? এর পর ক্রিমিন্যাল অফেন্স কি বৈধ বলে গন্য হবে???
সরকার স্বভাব সুলভ ‘ডিন্যায়াল টেন্ডেন্সি’ থেকে ফিরে এবার স্বীকার করল যে, বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে। আপাততঃ জাতীর লাভ এইটুকুই। আর ক্ষতি হল, দায়মুক্তি দিয়ে আইন ও নৈতিকতা আরো এক ধাপ পিছিয়ে গেল। পাচার প্রবণতা আরো বাড়তে পারে, সেই সাথে সৎ ভাবে যারা ব্যবসা করেন, কর পরিশোধ করেন তাঁরা নিরুৎসাহিত হবেন।
এবার শুভংকর,
-বাজেটে মুড়ির দাম কমছে, জনমনে নেমে এসেছে প্রশান্তি! বিসিএস গাইডের দাম কমালে বাজেট হত বেকার বান্ধব। গাইড বই নির্ভর ইউনিভারসিটি শিক্ষা ব্যবস্থায় কে কি রেটিং দিল তাতে আমাদের কি আসে যায়! জাস্ট, উই ডোন্ট কেয়ার!!
-যাই বলিস্ না কেন, এটা হেলিকপ্টার হুজুর বান্ধব বাজেট। প্লেন, হেলিকপ্টারের দাম কমেছে। আরাম করে ওয়াজ শুনতে পারব।
হয়ে গেল কুসিক নির্বাচন। সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার বলেছেন,- “নতুন নির্বাচন কমিশন তাদের প্রথম ‘কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন’ সফল স্বার্থকভাবে করতে সক্ষম হয়েছে। ইসি সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দিয়েছে”। ওদিকে কুমিল্লাবাসী দেখেছে বাহার ভাইয়ের বাহাদুরীর কাছে অসহায় কমিশনকে। সেখানে যা ঘটেছে তা কমিশনের উপর কালো দাগ ফেলেছে। শেষ চারটি কেন্দ্রের ফল প্রকাশে রিটার্নিং অফিসারের নানা গড়িমসি করে, ফোনে ঊর্ধ্বতনদের কথা বলে ফল ঘোষণা করে। সান্ত্বনা এটুকুই যে, প্রতিপক্ষের ওপর কোনো হামলা মামলা হয়নি।
এমপি বাহার বুঝিয়ে দিলেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। তাই তিনি ধরা ছোঁয়ার বাইরে। গণতন্ত্র থাকলে, সংসদ সদস্যের আচরণের জবাবদিহিতা থাকে। অতএব তিনি নিজেকে এলাকার বাহাদুর ভাবতেই পারেন। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক চরিত্র যে ভবিষ্যতেও পাল্টাবে না সেটা ক্লিয়ার করে দিলেন। আর ইসি যে ‘ঢাল নেই তালোয়ার নেই, নিধিরাম সর্দার’ তা আবারো প্রমান হল। একজন এমপিকে যারা রুখতে পারে না, তারা জাতীয় ইলেকশনে ৩০০ এমপিকে কন্ট্রোল করতে পারবে- তা আমরা ধরে নিতেই পারি।
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন ছিল নতুন কমিশনের প্রথম পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় শোচনীয়ভাবে ফেল করেছে কমিশন, ফেল করেছে আওয়ামী লীগ। জিতেছে বাহারের ব্যক্তিগত জেদ। স্থানীয় সরকার সংস্থার নির্বাচন হয়েছে একতরফা, বিনা ভোটে জয়। ক্ষমতাসীনরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চান। এর উপরে একটা ফরমান জারী করলেই তো হয়। তাতে নির্বাচন কমিশনেরও দরকার নাই আবার নির্বাচনের নামে জনগনের ট্যাক্সের কোটি কোটি টাকা অপচয়ও হবে না।
হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছিল বিতর্কের মধ্য দিয়ে। অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি কমিশন গঠন প্রক্রিয়া থেকে দূরে ছিল, রাষ্ট্রপতির সাথে সংলাপে অংশ নেয়নি। তারা বলেছিল - ‘এ নির্বাচন কমিশন সরকারের অনুগত এবং আজ্ঞাবহ হবে’। রকিব উদ্দীন, হুদা, আওয়াল কমিশন একই পথের যাত্রী। নিজেকে নিরপেক্ষ প্রমাণের জন্য - ‘এবার রাতে ভোট হবে না’ বলে ইতিমধ্যেই মানুষকে হাঁসিয়েছেন। আওয়ামী নেতাদের মনোভাব, তারা কমিশনের কাছে কি চায়, তা জানা সত্বেও নিজেকে গ্রহণযোগ্য করতে বাহারকে নোটিস দিয়েছিলেন। তার ইমেজ আরও কমে গেল।
মিঃ আওয়াল ১৯৮১ সালে মুন্সেফ হিসাবে চাকুরিতে যোগ দেন। জেলা ও সেসন জজ হওয়ার পর জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসাবে ল মিনিস্ট্রিতে যোগ দেন। এডিশন্যাল সেক্রেটারি হিসাবে একই মিনিস্ট্রিতে কাজ করার সময় ২০০৭ সালে তার বিরুদ্ধে বিচারপতি আফতাব উদ্দিন আহমেদ পিটিশন ফাইল করেন। ২০১৪ সালে রিটায়ার্ডের পর চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ পান। ২০১০ সালে বিচারপতি শাহ্ আবু নায়িম মোমিনুর রহমান ও বিচারপতি শহিদুল ইসলাম এডিশনাল সেক্রেটারি হিসাবে মিঃ আওয়ালের নিয়োগ illegal বলে রায় দেন। তিনি একবার পার্লামেন্টারি কমিটির কাছে ‘involved in various controversial activities’ এর জন্য ক্ষমা চান। এমন একজন ব্যাক্তি সিইসি হয়ে কিভাবে জনগনের কাছে গ্রহনযোগ্যতা পাবেন?
স্ত্রী স্বামীকে বলছে,
-ওগো, আমার স্কীনের দাগ উঠাতে কি লাগাবো বল না!
-এই নাও ভীম বার! আছে লেবুর শক্তি, সব দাগ উঠে যাবে।
১৯-০৬-২০২২।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার, মীরসরাই সার্কেলের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ লিটার দেশীয় তৈর...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের পরিচিত ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক সংগঠ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার: আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম একজন সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হি...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শরীফুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ডিএমপি রিকশা-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের প্রবেশমুখে ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : জেলা প্রতিনিধি(ঠাকুরগাঁও): শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited