শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০২:৩৯ পিএম, ২০২৫-১০-১৪
সোহেল রানা : রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) জোন–৫ এখন যেন দুর্নীতির অভয়ারণ্য। ঘুষ বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার, নোটিশ বানিজ্য—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বর্তমান পরিচালক মো. হামিদুল ইসলাম। একাধিক অভিযোগ, এমনকি দুদকে তদন্তের আবেদন থাকার পরও তিনি এখনও বহাল তবিয়তে পরিচালক পদে আসীন। কারণ একটাই—ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর কিছু নেতার আশীর্বাদ। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার রূপসা গ্রামের হামিদুল ইসলাম দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে ২০০৭ সালের ৫ ডিসেম্বর সহকারী সচিব হিসেবে যোগ দেন সরকারি চাকরিতে। এরপর রাজনৈতিক আশীর্বাদে পরপর দুটি পদোন্নতি পেয়ে এখন রাজউকের জোনাল পরিচালক। ২০৩৬ সালের নভেম্বর মাসে অবসর নেবেন তিনি। তবে তার কর্মজীবনের শুরু থেকেই দুর্নীতির ছাপ সুস্পষ্ট। ২০১৬ সালের দিকে স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন, চাকরিতে যোগদানের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে তার অর্থনৈতিক অবস্থার নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ—চাকরি দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন হামিদুল ইসলাম। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিল মাসে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির দুটি পৃথক অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে। কেরানীগঞ্জের ভুক্তভোগী শাহীন জানিয়েছেন, রাজউকে ড্রাইভার পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি পরিচালক হামিদুলকে ৫ লাখ টাকা দেন। চাকরি না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে হামিদুল ইসলাম নানা টালবাহানা করেন। একইভাবে মতিন নামের আরেক ভুক্তভোগীও চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে ৫ লাখ টাকা হারিয়েছেন। এখানেই শেষ নয়—২০১০ সালের পর থেকে হামিদুল ইসলাম ঢাকায় একাধিক প্লট, ফ্ল্যাট ও রংপুরে বিশাল কৃষিজমি ক্রয় করেছেন। স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, তার সম্পদের বেশিরভাগই এসেছে অবৈধ ঘুষ ও বাণিজ্যিক অনুমোদনের দালালি থেকে। ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে দিদারুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি দুদকে অভিযোগ করেন—পরিচালক হামিদুল ইসলাম রাজউকের ইমারত পরিদর্শকদের এরিয়া পরিবর্তন করে মাসিক চাঁদা তোলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতি মাসে তার আয় ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত। ইমারত পরিদর্শক ও অথরাইজড অফিসারদের মাধ্যমে চলে এই কালো টাকা বাণিজ্য। এমনকি নোটিশ গায়েব করে ভবন মালিকদের সঙ্গে রফা করারও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর নিউ এলিফ্যান্ট রোড ও মোহাম্মদপুর এলাকায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানের পর কয়েকটি ভবন মালিকের সঙ্গে ১৫–২০ লাখ টাকার গোপন লেনদেনের মাধ্যমে তিনি ভবনগুলোর ‘অনুমতি নবায়ন’ করেন বলে জানা যায়। রাজউকের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, হামিদুল ইসলাম তার অনুগত ও দুর্নীতিপরায়ণ অথরাইজড অফিসারদের নিয়ে একটি ঘনিষ্ঠ চক্র গড়ে তুলেছেন। এরা ভবন পরিদর্শন, নোটিশ বাণিজ্য, ও অনুমোদনের নামে নিয়মিত অর্থ আদায় করে। অভিযোগের পাহাড় জমলেও রাজউক চেয়ারম্যান কিংবা দুদক এখনও পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম বিষয়টি পরিচালক (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ–১) মো. মনিরুল হককে তদন্তের নির্দেশ দিলেও তদন্ত প্রতিবেদন এখনও আলোর মুখ দেখেনি। রাজউকের সাম্প্রতিক অফিস আদেশেও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বহু তদন্ত কমিটি সময়মতো প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে না—ফলে অভিযুক্ত কর্মকর্তারা থেকে যাচ্ছেন আগের মতোই প্রভাবশালী ও অদণ্ডিত। দুদকে একাধিক লিখিত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পরিচালক হামিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে এখনও কোনো তদন্ত শুরু হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত একজন কর্মকর্তা কীভাবে আজও রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় জোনাল পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন? এ ব্যাপারে হামিদুল ইসলাম এর মুঠোফোনে একাধিক বার কল করেও পাওয়া যায় নাই খুদেবার্তা পাঠিয়েও কোন উত্তর পাওয়া যায় নাই।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার, মীরসরাই সার্কেলের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ লিটার দেশীয় তৈর...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের পরিচিত ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক সংগঠ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার: আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম একজন সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হি...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শরীফুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ডিএমপি রিকশা-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের প্রবেশমুখে ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : জেলা প্রতিনিধি(ঠাকুরগাঁও): শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited