চট্টগ্রাম   শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১  

শিরোনাম

নাব্যতা-সংকটে বাঘাবাড়ী নৌবন্দর স্থবির ডুবোচরে আটকা ৩০টি জাহাজ

নাব্যতা-সংকটে বাঘাবাড়ী নৌবন্দর স্থবির ডুবোচরে আটকা ৩০টি জাহাজ

জিএসএসনিউজ ডেস্ক :    |    ০৫:৪৮ পিএম, ২০২১-০১-২৬

নাব্যতা-সংকটে বাঘাবাড়ী নৌবন্দর স্থবির ডুবোচরে আটকা ৩০টি জাহাজ

এনামুল হক, সিরাজগঞ্জ থেকে    : নাব্যতা সংকটসহ নানামুখী সমস্যায় স্থবির হতে বসেছে সিরাজগঞ্জের -শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ী নৌ-বন্দর স্বাভাবিক অবস্থায় বন্দরে প্রতিদিন প্রায় ১২ থেকে ১৫টি পণ্যবাহী জাহাজ ভিড়লেও সপ্তাহ খানেক হলো দুই থেকে তিনটি করে জাহাজ ভিড়ছে অপরদিকে এক সপ্তাহে আরিচা থেকে বাঘাবাড়ি নৌবন্দর পর্যন্ত আটটি পয়েন্টে নাব্যতা সংকটে ৩০টি পণ্যবাহি জাহাজ আটকে আছে অবস্থায় বন্দরের হাজার খানেক শ্রমিকের মধ্যে চার শতাধিক শ্রমিকই বেকার হয়ে পড়েছে নৌবন্দরে কর্মরত ব্যক্তিরা জানান, বাঘাবাড়ী নৌবন্দরটি উত্তরাঞ্চলের প্রধান নৌবন্দর উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার বেশির ভাগ সময় কৃষি কাজের সার নৌবন্দরের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় ছাড়া এলএসডি চাল, গম, জ্বালানি তেল, সিমেন্টের ক্লিংকার, কয়লা পাথরসহ আরও বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বন্দরে এসে জাহাজ ভেড়েপ্রতি বছর এই সময়ে সারসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী জাহাজের ভিড়ে নৌবন্দর সরগরম থাকলেও এবার জাহাজ কমে যাওয়ায় নৌবন্দর এলাকা অনেকটাই ফাঁকা হয়ে রয়েছে  বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, করোনা পরিস্থিতি দেখা দেওয়ার পর থেকেই নৌবন্দরে অচলাবস্থা দেখা দিতে শুরু করে এক পর্যায়ে নৌবন্দরে কর্মরত এক হাজার শ্রমিকের মধ্যে প্রায় সবাই বেকার হয়ে পড়েন

পরে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হলেও শ্রমিকদের বড় একটি অংশ বেকারই থেকে যান শ্রমিকসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভেবেছিলেন বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে চলতি বছরের শেষের দিকে নৌন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে কিন্তু তা না হয়ে উল্টো নৌবন্দরটি স্থবির হতে বসেছে বন্দরে কর্মরত ব্যক্তিরা জানান, বছরের এই সময়েই সবচেয়ে বেশি জাহাজ নৌবন্দরে ভেড়ার কথাঅথচ নদীতে নাব্যতা কমে যাওয়ার কারণে যমুনা নদীতে বেড়া উপজেলার পেঁচাকোলা, মোহনগঞ্জ,

কাজিরহাট,এলাকার বিভিন্ন স্থানে  নাব্যতা সংকটে আটকে যাওয়া এক সপ্তাহে মাত্র চারটি জাহাজ বন্দরে ভেরাতে পেরেছে প্রতিদিন দুই থেকে তিনটির বেশি জাহাজ নৌবন্দরে ভিড়তে পারছে না যে জাহাজগুলো ভিড়ছে সেগুলোকে নৌবন্দরের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার আগে প্রায় অর্ধেক পণ্য ছোট নৌযানে খালাস করে ভিড়াতে হচ্ছেএতে পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়ে যাচ্ছে পরিস্থিতিতে পরিবহন ঠিকাদারেরা পণ্য পরিবহনে নগরবাড়ী ঘাটসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নৌ-ঘাট বেছে নিচ্ছেন ফলে উত্তরবঙ্গের সবচাইতে বড় ঐতিহ্যবাহী বাঘাবাড়ী নৌবন্দরটিতে জাহাজের সংখ্যা দিনে দিনে কমছে জাহাজ চালকেরা জানান, পণ্যবোঝাই জাহাজগুলো আরিচা পর্যন্ত নির্বিঘ্নে আসতে পারছে

কিন্তু এর পরে বেড়া উপজেলার নতিবপুর, ব্যাটারিরচর, নাকালিয়া, পেঁচাকোলা মোহনগঞ্জ নামক স্থানে এসে বিপদে পড়ছে এসব স্থানে যমুনা নদীর গভীরতা সাত থেকে আট ফুটে নেমে এসেছে অথচ পণ্যবোঝাই জাহাজ চলাচলের জন্য কমপক্ষে ১০ ফুট গভীরতার প্রয়োজন তাই জাহাজগুলোকে দৌলতদিয়ায় নোঙর ফেলে ট্রলারসহ বিভিন্ন ছোট নৌযানে আংশিক পণ্য খালাস করে তারপর নৌবন্দরে আসতে হচ্ছেএতে একদিকে পরিবহন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রচুর সময়ও অপচয় হচ্ছে গতকাল ২৩ জানুয়ারী শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাঘাবাড়ী নৌবন্দরে তিন-চারটি জাহাজ ভিড়ে রয়েছে এর সঙ্গে ভিড়ে রয়েছে চার-পাঁচটি সারভর্তি ছোট নৌযান সেগুলো থেকে প্রায়