চট্টগ্রাম   শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১  

শিরোনাম

অচল কক্সবাজার সদরের বাঁকখালী রাবারড্যাম

অচল কক্সবাজার সদরের বাঁকখালী রাবারড্যাম

জিএসএসনিউজ ডেস্ক :    |    ০৮:২৫ পিএম, ২০২১-০২-১৩

অচল কক্সবাজার সদরের বাঁকখালী রাবারড্যাম

শহিদুল করিম শহিদ কক্সবাজার প্রতিনিধি :দীর্ঘ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সচল করা যায়নি রামু কক্সবাজার সদরের কৃষকের প্রাণখ্যাত বাঁকখালী রাবার ড্যামফলে হুমকির মুখে পড়েছে উপজেলার ২১ ইউনিয়নের অর্ধলক্ষ কৃষকের বোরো চাষাবাদ
প্রায় ৫০ হাজার কৃষকের কান্না থামাতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বিকল হওয়া রাবারড্যাম সচল করতে ঝিলংজা ইউনিয়নের চা৺ন্দেরপাড়ায় অবস্থিত দেশের প্রথম রাবার ড্যামটিতে নদীর উপর বাঁধ নির্মান চালিয়ে আসছে গেল দুই মাস যাবৎ
তবে এখনো চালু নিয়ে শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারছেনা কেউঅপরদিকে বোরো মওসুম শুরু হয়ে রোপার চারা রোপনের সময় ২০ দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে এখনো উপজেলার প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে পানি না পৌছায় অনাবাদি পড়ে রয়েছে উক্ত বিস্তীর্ণ জমিআশংকা করা হচ্ছে বছর জেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কৃষক, বাঁধ নির্মানে দায়িত্বরত ঠিকাদারের সাথে আলাপকালে রাবারড্যাম চালু নিয়ে আশংকার বিষয়টি উঠে এসেছে
সদর উপজেলা নিবার্হী কর্র্মকতা সুরাইয়া আক্তার সুইটি জানান, সদরের ঝিলংজার চাঁন্দেরপাড়ায় বাঁকখালী নদীর উপর নির্মিত রাবার ড্যামটি বিকল হয়ে যাওয়ায় নদীতে বাঁধ দিয়ে সচল করার উদ্যোগ গ্রহণ করি ঠিকাদার নিয়োগ করি যথাসময়ে
প্রথম দিকে স্টিমিট ভুলে বিশেষ করে ঠিকাদার সে সময় যে ষ্টেমিট করেছিল তারা সেটি পর্যাপ্ত মনে করেছিল
কিন্তু কাজ করতে গিয়ে সেটি আরো জঠিল হয়পরে আমরা রামু থেকে ঠিকাদারকে বড় ড্রেজার মেশিন কিনে দিয়েছি
তাদের ধারনাগত ভুলের খেসারত কেন কৃষকরা দেবে তিনি আশা করেন আগামি সপ্তাহের মধ্যে বাঁধ নির্মান শেষ হলে বোরো মওসুমে চাষাবাদ করা যাবে যদিও তা দেরি হয়ে গেছেরামু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু মাসুদ সিদ্দিকী জানান, রামুর ১১টি ইউনিয়নের বোরো চাষ রাবারড্যামের পানি প্রবাহের উপর নির্ভর করে
এখন রাবারড্যাম অকেজো থাকায় চাষ বন্ধ রয়েছেরামুতে সাড়ে হাজার হেক্টর জমিতে ৪০ হাজার কৃষক চাষাবাদ করে
কিন্তু বোরো মৌসুম শুরু হয় ডিসেম্বরে রোপা রোপন শুরু হয় জানুয়ারিতে এখন চলছে ফেব্রয়ারি মাস
তাহলে পানি এখনো জমিতে নেইকৃষকরা কিভাবে চাষাবাদ করবে তিনি জেলা প্রশাসকের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন
কক্সবাজার সদর কৃষি কর্মকর্তা জাহেদুল আলম জানান, সদরে ১০ ইউনিয়নে বেশিরভাগ জমি চাষ হয় রাবারড্যামের পানি দিয়ে এখনো জমিতে পানি দেওয়া সম্ভব হয়নি ফলে সদরের ৬৯৪৫ হেক্টর জমির অধিকাংশ অনাবাদি থাকার আশংকা রয়েছেযদিও শেষ দিকে ড্যামটি সচল হলেও রোপার বয়স বৃদ্ধির কারনে ফলন ভালো হবেনা
এদিকে বাঁকখালী রাবারড্যামের সংস্কার কাজে অর্থাৎ নদীতে বাঁধ দেওয়ার কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার মুহাম্মদ ইসমাইল ফারুক জানান, বাঁকখালী নদীর খনন কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে
ফলে র্বতমানে গভীরতা বেশি হওয়ায় বাঁধ স্থাপন কঠিন হয়ে পড়েছেইতোমধ্যে নদীর উভয়পাশে কাজ শেষ হয়েছে কিন্তু নদীর মাঝখানে ৮০ ফুট পর্যন্ত গভীর হওয়ায় বাঁধ নির্মাণ কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছেঠিকাদার জানান, জোয়ারের সময় পানির গভীরতা ৩০ ফুট এবং ভাটার সময় ১৫ ফুট থাকেফলে পানির প্রবাহের জন্য বাঁধের স্থায়িত্ব ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েতিনি নদীর মাঝখানে জিও ব্যাগ