চট্টগ্রাম   শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১  

শিরোনাম

আখাউড়ার সরস্বতী শত নির্যাতনের পরেও স্বামীর সংসার করতে চায়

জিএসএসনিউজ ডেস্ক :    |    ০৫:৫৬ পিএম, ২০২০-০৯-৩০

আখাউড়ার সরস্বতী শত নির্যাতনের পরেও স্বামীর সংসার করতে চায়

ইসমাঈল হোসেন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া পৌরশহরের মসজিদ পাড়া গ্রামের অধিবাসী স্বপন বিশ্বাসের কন্যা সরস্বতী বিশ্বাস বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজ্ঞ নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা দায়ের করেন মামলার রেফারেন্স পঞ্চায়েত পক্ষ গ্রামবাসী সরদারদের বক্তব্য অনুযায়ী স্বপন মল্লিক ২০০৪ ইংরেজি সালে সনার্তন ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী পারিবারিকভাবে খুবই ধুমধাম করে বিয়ে হয় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ থানার নছরতপুর গ্রামের মৃত ধীরেন্দ্রনাথ মল্লিকের ছেলে স্বপন মল্লিক(৪০) এর সাথে আখাউড়া পৌর শহরের মসজিদ পাড়া গ্রামের স্বপন বিশ্বাসের কন্যা সরস্বতী বিশ্বাসের সাথে

বিয়ের সময় স্বপন মল্লিক এর চাহিদা অনুযায়ী যৌতুক হিসেবে নগদ ৮০ হাজার টাকা,স্বর্ণালংকার, ফার্নিচার ইত্যাদি বাবদ আরও দেড় লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন স্বপন বিশ্বাস বিয়ের এক বছর পর স্বপন মল্লিক স্বরস্বতীর ঐরসে একটি কন্যা সন্তান জম্ম গ্রহণ করে যার নাম সাথী রানী মল্লিক (১১) তার কিছুদিন যাওয়ার পর থেকেই স্বরস্বতীর স্বামী তাকে যৌতুক দেওয়ার জন্য নির্যাতন করতো এরইমধ্যে সরস্বতী কে অত্যাচার করে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় স্বামী স্বপন মল্লিক পরপর কয়েকবার স্থানীয় পঞ্চায়েত সরদার গণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৎকালীন কমলগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মোঃ বদরুল এস আই হামিদ সহ পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার আপ্পায়ন চেষ্টা করেছেন

তারপরেও পুনরায় নির্যাতন করলে এবং যৌতুক দাবি করলে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রাম্য পঞ্চায়েতের ব্যর্থতার পর ২৫ জুলাই ২০১৪ ইংরেজি সালে কমলগঞ্জ পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সরস্বতী বিশ্বাস অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমলগঞ্জ পৌরসভা তৎকালীন মেয়র মোঃ আবু ইব্রাহিম জামশেদ উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা পর্যালোচনা করে যে রায় দিয়েছেন তা অমান্য করেছে স্বপন মল্লিক তার পরিবার পরিশেষে মেয়র ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে স্বপন মল্লিক সম্পর্কে পৌরসভার পেডে লিখিত দেন স্বপন মল্লিক পিতা ধীরেন্দ্র নাথ মল্লিক সে একজন অসৎ চরিত্রের লোক পাশবিক নির্যাতন শারীরিক নির্যাতন খোরপোষ না দেওয়া অন্যায় ভাবে মাসের-পর-মাস যৌতুক দাবি সমস্ত সহায় সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা পয়সা স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের ফার্নিচার দেওয়ার পরেও কোন ভাবে তার বদমাইশি থামানো যায় নাই সে গত দেড় বৎসর যাবৎ অবৈধভাবে সম্পূর্ণ ধর্মের নিয়ম বহির্ভূতভাবে অন্যের স্ত্রীকে লোভ-লালসার পরে অবৈধ যৌন তৃপ্তি ভোগ করেছে গ্রামের পঞ্চায়েত সহ বিষয় টি প্রমানিত হয়েছে।পৌর কার্যালয়ে বিষয়টি মীমাংসা করা সম্ভবপর নয় বলিয়া অপারগতা প্রকাশ করায় সরস্বতীর