শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০২:১৬ পিএম, ২০২২-১০-১৫
বেলাল উদ্দিন আহাম্মদ, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: জীবিত থেকেও কাগজে কলমে মৃত। মুরাদনগরে এক জীবিত মহিলাকে ২৩ বছর আগেমৃত দেখিয়ে তার নামে মৃত্যু সনদ দিয়েছে এক ইউপি চেয়ারম্যান। মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার ৫নং পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়নের খৈয়াখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। জীবিত লোককে মৃত্যু সনদ দেওয়ার বিষয়টিতে কোন দুরভীসন্ধি রয়েছে বলে মনে করে সচেতন মহল। এর দায় নেবে কে?
বিধিমোতাবেক সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মেম্বার প্রত্যয়ন দেওয়ার পর সে মোতাবেক কাজ করবেন। এ ক্ষেত্রে চৌকিদারকেও কাজে লাগানো যেতে পারে। এ বিষয়ে সকলকেই সচেতনভাবে কাজ করতে হবে।ইউনিয়ন উদ্যোক্তা থাকা সত্বেও ওই ইউনিয়নে হাক্কানী(২০) নামে একজন কাজ করে সে বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল রহিম পারভেজের ছেলে।
অনুসন্ধানে জানা যায় উপজেলার ৫নং পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের খৈয়াখালী গ্রামের মুন্সিবাড়ীর মৃত জয়দল হোসেনের স্ত্রী মিলন নেছা (৬৫) এর নামে গত ১৮-০৯-২০২২খ্রী: মৃত্যু সনদপত্র দেয়া হয়েছে যার নং ২০২২১৯১৮১৮১০০৫২৯৭। মৃত্যু সনদপত্রে তাকে ২৩ বছর আগে ১৫-০২-১৯৯৯খ্রী: মৃত্যু বরণ করেছেন উল্লেখ করা হয়েছে। বাস্তব সত্য তিনি জীবিত আছেন।সে মৃত জয়দল হোসেনের স্ত্রী। মিলনের নেছা উপজেলার টনকী ইউনিয়নের বাইড়া গ্রামের মৃত ছৈয়দ আলীর মেয়ে।
শুক্রবার বিকেলে জিএসএস’র এ প্রতিবেদক ওই মহিলার সাথে কথা বললে তিনি জানান এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এ বিষয়ে তার ছেলে জাকির হোসেনের সাথে কথা বলতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর সে আর কথা বলেনি।তার মোঠোফোনে কথা বলতে চাইলে সে ফোন বন্ধ করে দেয়।
ইউপি চেয়ারম্যান যাচাই-বাছাই না করে জীবিত মানুষকে মৃত দেখিয়ে মৃত্যু সনদ দেয়ার বিষয়টি রহস্যজনক। এ বিষয়ে সিনিয়র এডভোকেট সৈয়দ তানভীর আহাম্মদ ফয়সাল বলেন জীবিত ব্যাক্তিকে মৃত্যু সনদ দেয়া জঘন্য অপরাধ। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে বিষয়টি প্রমানিত হলে ওই চেয়ারম্যানের জেল জরিমানা বা চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ হতে পারেন।
উপজেলার ৫নং পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মামুন বলেন কিভাবে মৃত্যু সনদ দেওয়া হয়েছে এ সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। যে মিলনের নেছা নামে মৃত্যু সনদ দেওয়া হয়েছে সে বর্তমানে জীবিত আছে। সে মুন্সিবাড়ির মৃত জয়দল হোসেনের স্ত্রী ও জাকিরের মা।
এ ঘটনায় ৫নং পূর্বধইর পশ্চিম ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল রহিম পারভেছ বলেন মিলনের নেছার মৃতসনদ পত্রটি আমার কাছে তথ্য গোপন করে নিয়েছে। আমি সম্পূর্ন অবগত ছিলাম না। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি। ছেলে হাক্কানী ইউপি অফিসে কাজ করার কথা তিনি স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আলাউদ্দিন ভুইয়া জনি বলেন বিষয়টি আমার জানা নাই তবে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে তদন্ত করে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : ঢাকা মেডিকেল প্রতিনিধি: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ মারা অবস্থায় যে ব্যক্তির মরদে...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুরঃ জামালপুরের ইসলামপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) ৪৮তম প্রত...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ,জামালপুরঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুরঃজামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও মেলান্দহ উপজেলায় পৃথক বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘট...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ,জামালপুরঃজামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পুলিশের ঝটিকা অভিযানে ৮৮ বোতল ভারতীয় মদসহ আ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রোকনুজ্জামান সবুজ, জামালপুরঃ জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা বাজারে রাজীব বাসের রোড পারমিট বাতিল ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited