শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৫:৩৩ পিএম, ২০২৫-০৭-১৬
আলমগীর হোসেন: কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের মৃত আলমচানের বাকপ্রতিবন্ধী ছোট ছেলে কবির। ভারসাম্যহীন অবস্থায় প্রায় সে উলঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। গত ২৬ জুন সন্ধ্যায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের কয়েকজন নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করে। পরে প্রতিবন্ধী ছেলেটি দিবাগত ভোর রাতে মারা যায়। মৃত কবিরের মা ছমিরন জানায় আমার ছেলেটি কথা বলতে পারে না কিন্তু সে সারারাত ছটফট করে ভোর রাতে মারা যায়। সরেজমিনে জানা যায় ঘটনার দিন রতনপুর কবরস্থানের পাশে উলঙ্গ অবস্থায় বসে ছিল প্রতিবন্ধী কবির। সেই রাস্তা দিয়ে একই গ্রামের প্রভাবশালীদের একজন স্বপরিবারে যাওয়ার সময় উলঙ্গ প্রতিবন্ধী কবিরকে দেখে। এতে সে বিব্রত অবস্থায় পরে। তাই সে সন্ধ্যার পর সে এবং আরো বয়েকজন মিলে প্রতিবন্ধী কবিরকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে এবং সেই স্থানেই কবির ছটফট করতে থাকে। পরে তার ভাই বাহারউদ্দিন তাকে বাড়ি নিয়ে যায়। ভোর রাতে সে মারা যায়। এদিকে প্রতিবন্ধী ছেলেটি মারা যাওয়ার পর প্রায় ২ সাপ্তাহ অতিবাহিত হলেও প্রভাবশালীদের ভয়ে মুখ খোলেনি ছেলের মা, ভাই, আত্মীয়স্বজন এমনি এলাকাবাসীর কেউই। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকগণ এই রহস্য উৎঘাটন করে। বেড়িয়ে আসে থলের বিড়াল। উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভূমি) জানান, ভুক্তভোগী প্রভাবশালীদের ভয়ে অভিযোগ না জানালে, বিষয়টি অবগতি হয়ে সরকার স্বপ্রনোদিত হয়ে মামলা করতে পারে।। ছমিরন বয়স প্রায় ৫০। বছর সাতেক আগে স্বামী আলম চাঁনকে হারিয়েছেন তিনি। তারপর থেকে তিন ছেলেকে নিয়ে অথৈই সাগরে পরে যান তিনি। স্বামীর ভিটা বলতে কিছুই নেই। এলাকার এক মুক্তিযোদ্ধার পরিত্যক্ত বাড়িতে কোনরকম চেয়ে পান্তে সংসার চলে। এক ছেলে অনেক আগেই কাজের খোজে নিরুদ্দেশ। ২য় ছেলে করে দিন মুজুরের কাজ। আর ছোট ছেলেটি বোবা ও ভারসাম্যহীন প্রতিবন্ধী। এলাকার লোকজন তাকে পাগল বলে। একজন নাগরিকের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা। অথচ এই নিঃস্ব পরিবারটি ৫টি মৌলিক চাহিদার সবগুলো থেকেই বঞ্চিত। ছমিরনের স্বামীর নিকটাত্মীয়গণ অনেক ধনী ও প্রভাবশালী হলেও ছমিনের শেষ আশ্রয় হয়েছে অন্য পাড়ার এক মুক্তিযুদ্ধার পরিত্যাক্ত বাড়িতে। যেখানে নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা , নেই সেনিটেশনের ব্যবস্থা , নেই বিদ্যুৎ। রতনপুর গ্রামে সরকার কতৃক দেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর তার ভাগ্যে জুটে নাই। সেই ঘরও পেয়েছে রতনপুর গ্রামের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আকিল ও বিএনপির ওয়ার্ডের সেক্রেটারি মুকবুলের ছোট ভাই আবু তাহের। এই আবু তাহের ও তার ছেলে দুজনেই সৌদি প্রবাসী। একই ঘরে দুই জন প্রবাসী থাকা অবস্থায় কিভাবে সরকারি ঘর পায়? আর ছমিররা ঘর পায়না। এলাকাবাসীর দাবি এই ভারসাম্যহীন প্রতিান্ধীর মৃত্যুর আসল কারন বের করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনা।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : বেঞ্জামিন রফিক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ(৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুভ ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাত্র ৮০ টাকা রোজে লোড-আনলোডের শ্রমিক থেকে শ্রমিক লীগ ন...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত নকলনবিশ মোসাব্বির আহমেদ কিরণের বিরুদ্...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : আলম খান: জাকের পার্টি মৃত্তিকা খনন ফ্রন্টের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নরসিংদী প্রতিনিধি :নরসিংদী সদর উপজেলা চিনিসপুর নন্দীপাড়া মৌজায় ৪ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট জায়গার উপ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ১২ সদস্য নি...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited