চট্টগ্রাম   সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১  

শিরোনাম

লবনের ন্যয্যমূল্যের দাবীতে চকোরিয়ার কোরালখালী’র লবন চাষীদের আবেদন

লবনের ন্যয্যমূল্যের দাবীতে চকোরিয়ার কোরালখালী’র লবন চাষীদের আবেদন

জিএসএসনিউজ ডেস্ক :    |    ০৫:৩৭ পিএম, ২০২১-০৩-০৭

লবনের ন্যয্যমূল্যের দাবীতে চকোরিয়ার কোরালখালী’র লবন চাষীদের আবেদন

খোলাচিঠি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়,

বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা

বিষয়ঃ স্ব-দেশীয় লবণশিল্প রক্ষা করুন,কক্সবাজারের লবণচাষীদেরকে বাচান এবং চলতি লবণ উৎপাদন মৌসুমে প্রান্তিক চাষী ভাইদেরকে ভর্তুকি প্রদানের আকুল আবেদন

মহাত্নন,

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, মাদক এবং দূর্ণীতি বিরুদ্ধে আপোষহীন সংযমী সংগ্রামী নেত্রীবাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্র মর্যাদায় উন্নীত করণের স্বপ্নদ্রষ্টা,কাল্পনিক বাংলাদেশের বাস্তব রূপদানকারী বিশ্বমানবতার মমতাময়ী "মা", সমুদ্রসীমানা স্থায়ী সীটমহলের সীমানা রক্ষাকারী বিগত ৩০সে ডিসেম্বরে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভিডিও কনফারেন্সে আপনার মূখের বাণী-----

            "কক্সবাজারের নুন খাই

     কক্সবাজারের গুন গাই"

                                       .......মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

আমরা কক্সবাজারবাসি সমুদ্র উপকূলীয় জনগণআমরা বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা তথা ভৌগোলিক নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাআমাদের পার্শ্ববর্তী প্রবাহমান নদীর ভয়ংকর উচ্চাশওগর্জনে, প্রতিবছরের বর্ষা মৌসুমের ৬টি মাস ভয়ভীতিতে কাটাইকখন ১৯৯১ সালের ২৯শে এপ্রিলের মত মহাপ্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় আমাদের প্রাণকেড়ে নিয়ে যায়!! ভীতি সন্ত্রস্ত হয়েও উপকূলীয় অঞ্চলের সৃষ্ট আদি   কেউ লবণব্যবসায়ী, কেউ লবণ উৎপাদনকারী  এবং কেউ লবণ বহনকারী শ্রমিকআমাদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান অর্থকরী উৎপাদিত ফসল বা শিল্পজাত দ্রব্য "লবণ"

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের দূর্বিসহ জীবিকায়নে দূর্ভীক্ষের পূর্বাভাসের কথাগুলো যদি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত প্রসারিত হয়, তাহলে প্রিয় বাংলাদেশের মান যতই উন্নয়ন হোক, বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাড়ি য়েথাকার স্হান কক্সবাজারের দূর্ভীক্ষের কথা বিশ্ব জেনে যাবে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,

                 "পেটে অন্ন না থাকলে পিঠে কি সয়!”

এই তত্ত্বের পূণরাবৃত্ত্বিয়ায়নের রাস্তা ছাড়া কোন পথ খোলা নাইযে জমিতে লবণ উৎপাদন করে আমাদের আদি থেকে বর্তমান পর্যন্ত জীবিকা নির্বাহ করেছি করি, সেই উৎপাদিত "লবণ" আজ মূল্যহীন

খরচ আয় এবং উদ্বৃত্ত নিয়ে জীবিকা নির্বাহঃ

কানি প্রতি জমির মালিকী পাওনা        = ৩০,০০০/= হাজারটাকা

কানি প্রতি পলিথিন                                =  ৫০০০/= হাজারটাকা

কানি প্রতি পানি উত্তোলন                      = ৪০০০/= টাকা

কানি প্রতি শ্রমিক-কর্মচারী                     =২৭,০০০/=

অন্যান্য আনুসঙ্গিক খরচ                           =,০০০/=

____________________________________________

সর্বমোট কানি প্রতি খরচ                        =৬৯,০০০/=

কানি প্রতি উৎপাদন লবনের পরিমান ২৭০মণ

যার মণ প্রতি মূল্য

১২০টাকার কম বা কেজিপ্রতি

টাকার কম (২৭০×১২০)                      =৩২,৪০০/

_____________________________________________

কানি প্রতি লোকসানের পরিমাণ            =৩৬,৬০০/=

একজন লবণ চাষী লবণ চাষের জন্য শ্রমিক প্রতি ৩কানি জমি বর্গা নিতে গিয়ে গৃহপালিত গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, হাস-মুরগিসহ বিক্রি করে টাকার সংকূলান না হলে বিয়ের অলংকার বন্ধক বা বিক্রি করে বেকারত্ব ঘুচিয়ে জীবিকার সন্ধানে রতএই ২০২০সালের লবণ মৌসূমে এসে লবণ চাষীরা শ্রমিক প্রতি ১০৯৮০০/= টাকা ক্ষতিগ্রস্হআমাদের বর্তমান অবস্থা অসহায় ওনিঃস্ব এবং মানবেতর হয়ে হতদরিদ্রের নীচু সীমানায় চলে যাওয়ার উপক্রম বিদ্যমান

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কক্সবাজারের নুন খান, আপনার মমতাময়ী দয়ালু হাতে আরাকানের মজলুম উদ্বাস্তুদেরকে দয়ার হাত বাড়িয়ে দিতে দেরী করেননিমাননীয় শিল্পমন্ত্রী সমীপে কক্সবাজারবাসীকে বাচানোর স্বার্থে বিদেশী লবণ আমদানি বন্ধ করতঃ

স্ব- দেশীয় উৎপাদিত লবণের উপযুক্ত দাম নির্ধারণ করার রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ আদেশ দানে এবং অসহায় লবণ চাষীদেরকে চলতি মৌসূমের জন্য