শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ১১:৫৪ এএম, ২০২৩-০২-০৩
আলম খান (রাজবাড় থেকে) প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ী জেলার রয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। পুর্বে জমিদারি ও রাজকার্য পরিচালনা, নীল চাষ, ধর্মীয় চর্চা ও নানা কার্যক্রম পরিচালনাকে ঘিরেই এখানে গড়ে উঠেছেছিল রাজবাড়ী, জমিদারবাড়ি, মসজিদ, মন্দির, নীল কুঠির, দিঘি, মঠ সহ নানা ঐতিহাসিক স্থাপনা। যা এখানকার মানুষের কাছে ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে খ্যাতি লাভ করে। এখানকার মানুষেরা মনে করেন, সরকার যদি স্থাপনাগুলো সংস্কার করে পর্যটন ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলে, তাহলে দেশ-বিদেশের অনেক পর্যটক এখানে আসবে এবং প্রচুর রাজস্ব আয় হবে। রাজবাড়ী হতে পারে ভ্রমণপিপাসু মানুষদের কাছে এক আকর্ষণীয় স্থান। কিন্তু সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পর্যটন বিকাশে সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। এভাবে দিনের পর দিন স্থাপনাগুলো অবহেলায় পড়ে থাকলে এক সময় তা বিলীন হয়ে যাবে। বর্তমান রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের লাল ভবন ১৮৭৮ সালে বাণিবহের জমিদার গিরিজা শংকর মজুমদার ও তার ভাই অভয় শংকর মজুমদার প্রতিষ্ঠা করেন। যা উনিশ শতকের পর আর কখনো সংস্কার করা হয়নি। রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে অবস্থিত নলিয়া জোড় বাংলা মন্দির যা প্রতিষ্ঠা হয় ১৮৬৭ সালে, বালিয়াকান্দি উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের সমাধিনগর মঠ যার প্রতিষ্ঠাকাল আনুমানিক ১৮৪৬ সালে। প্রাচীন নিদর্শনের সুন্দর সাক্ষী এই মঠ। রাজবাড়ী সদর থানার পাচুরিয়া ইউনিয়নে ১৭৪১ সালের দিকে জমিদার মুকুন্দিয়া বাবুর তৈরি মুকুন্দিয়া জমিদার বাড়ি স্থাপনাটির সৌন্দর্য বিলীনের পথে। গতানুগতিক জমিদারবাড়ির মতো এটিও পুরাতন, ভাঙাচোরা আর আগাছায় মোড়ানো। এছাড়াও রয়েছে, আউলিয়া মসজিদ, চাঁদ সওদাগরের টিবি, কল্যাণ দিঘি, রাথখোলা সানমঞ্চ, আঠারো শতকের ইংরেজদের নীলকুঠিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এই স্থাপনাগুলোর কোনোটিতেই নেই সংস্কার কিংবা সংরক্ষণের ছোঁয়া। বরং গরু-ছাগলের আবাস স্থলে পরিণত হয়েছে স্থাপনাগুলো। রাজবাড়ী জেলার বাসিন্দা ষাট বছর বয়সী কাঞ্চন নাথ বলেন, পর্যটন খাতে রাজবাড়ীর সব ধরণের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে থাকা দুঃখজনক। জেলার পর্যটনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রশাসনের পাশাপাশি বিত্তবান ও প্রবাসীদের এগিয়ে আসতে হবে। আর এগুলো সংস্কার না করা হলে কয়েক বছর বড়ে শুধু নামেই ইতিহাসের পরিচয় দেবে রাজবাড়ী। কিন্তু ইতিহাস প্রসিদ্ধ কোনো স্থাপনা খুঁজে পাওয়া যাবেনা এই জেলায়। নলিয়া জোড় বাংলা মন্দিরে ঘুরতে আসা খুলনার বাসিন্দা দেবাশীষ মজুমদার জানান, এখানে ঘুরতে এসে একটি জিনিসেরই অভাব বোধ করছি, সেটা হলো এখানে থাকার জন্য ভালো মানের কোনো হোটেল মোটেল নেই। এছাড়াও দেশ স্বাধীনের এতো বছর পরেও সংস্কারের অভাবে বেহালদশা স্থাপনাগুলোর। বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ ও পর্যটন শিল্পের সার্বিক সহযোগিতায় উক্ত রাজবাড়ী জেলায় বিলীয়মান বেহালদশা স্থাপনাগুলোর হারিয়ে যাওয়া বৃহৎ সংস্কারের মাধ্যমে উক্ত রাজবাড়ী জেলা ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পর্যটন শিল্প শতভাগ গড়ে তোলা সম্ভব।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : বেঞ্জামিন রফিক: রাজধানীর কমলাপুর ইষ্টার্ণ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স নিবাসী সাজ্জাদ খান, মতিঝিল থানা য...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : কাজী শহিদ, প্রতিনিধি, গাজীপুর, মহানগর:গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পূবাইল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি গাজীপুরের কালীগঞ্জে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কলিকুটি নাজিমিয়া মদিনাত...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : কাজী শহিদ, প্রতিনিধি গাজীপুর: পুবাইল মেট্রো থানা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যোগে জমজমাট আয়োজনের মধ্...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : -ডাঃ মআআ মুক্তাদীর : আমাদের প্রাণ প্রিয় দেশ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং লাল সবুজ। ১৯৪৮ সালের ১৫ সেপ্...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : কাজী শহিদ, প্রতিনিধি গাজীপুর:: গাজীপুর মহানগরের পূবাইলসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও কিশ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited