শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০১:০৮ পিএম, ২০২৬-০৯-১৬
-ডাঃ মআআ মুক্তাদীর : আমাদের প্রাণ প্রিয় দেশ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং লাল সবুজ। ১৯৪৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ”পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু” বইটির প্রচ্ছদ এ ”লাল সবুজ” রং ব্যবহার করা হয়। ভাষা আন্দোলন সুচনাকারী বই এ। বাংলা ভাষা এই ভুখন্ডের জনগনের ভাষা। জনগনের রাষ্ট্রের জনগনের ভাষা,বাংলা ভাষাই হবে রাষ্ট্র ভাষা। এই কথাটাই তুলে ধরা হয়েছিল। ”পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু”? বইটিতে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং তৎকালীন সময়ে ঐ বইটিতে ফুটে উঠেছিল। লাল সবুজের রং এর ”পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু”? বইটির মাধ্যমে রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল। আর সেই ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও আজকের বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বাংলাদেমের পরিচয় বহন করে। জাতীয় পতাকার রং বাংলাদেশের জনগনের প্রিয় রং। ১৯৪৭ সালে ১৫ সেপ্টেম্বর বর্তমান বাংরাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ বপন করেছিল মনের অজান্তে, প্রচন্ড ভালোবাসা দিয়ে। প্রচ্ছদ বইয়ের ভিতরকার প্রকাশ। “পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা না উর্দু”? নামক বইটির ভিতরকার সত্যরুপ প্রকাশ হয়েছিল বইটির লাল সবুজ প্রচ্ছদ এ। এই বইটিতেই স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্নের বীজ বপণ করা হয়েছিল। তাই আমাদের কামনা, “পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা না উর্দু”? নামক বইটির স্বপ্ন আমাদের বাংলাদেশ অমর হোক। ইতিহাস একটি জাতির শিকড় স্বরূপ। ভাষা আন্দোলন, আমাদের বাংলাদেশ প্রাপ্তির এক ধাপ এগিয়ে দেয়। আর ভাষা আন্দোলন সূচনা হয় "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" বইয়ের মাধ্যমে। এই বইটির অবদান নিয়ে ইতিপূর্বে খুব বেশী আলোচনা করা হয়েছে বা কোন বই হয়েছে কিনা আমার জানা নাই। এই বইটি নিয়ে অনেক গবেষণা ও আলোচনা উচিত। ভাষা আন্দোলন সূচনাকারী বই "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা - না উর্দু ?" এই বইয়ের মাধ্যমে মহান ভাষা আন্দোলন সূচনা হয়,ভাষা আন্দোলনের কারন ব্যাখ্যা করা হয় এবং ভাষা-আন্দোলন পরিচালনার দিগনির্দেশনা প্রদান করা হয়,তাই এই বই টিকেই ভাষা আন্দোলন সূচনাকারী বই বলা হয়। তমদ্দুন মজলিসের পক্ষে অধ্যাপক আবুল কাসেম উক্ত বই প্রণয়ন করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বইটির নাম ছিল "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা - না উর্দু ?" ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখ সকাল ১০ ঘটিকার সময় ১৯ নম্বর আজিমপুরস্থ ভাষা আন্দোলন অফিসে উক্ত বইটি পাঠ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম। এসময় যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা হলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এ কে এম আহসান,নুরুল হক ভুঁইয়া,শামসুল আলম,আবদুল মতিন খান চৌধুরী,ফজলুর রহমান ভুঁইয়া,কবি মোফাখখারুল ইসলাম প্রমুখ। বইটি ৩টি নিবন্ধ স্থান পায়। প্রথমটি অধ্যাপক আবুল কাসেম এর আমাদের প্রস্তাব ' দ্বিতীয়টি ড. কাজী মোতাহার হোসেন এর "রাষ্ট্রভাষা ও পূর্ব পাকিস্তানের ভাষাসমস্যা"এবং তৃতীয়টি আবুল মনসুর আহমদ এর "বাংলাই আমাদের রাষ্ট্রভাষা হবে"। বইটিতে মোট ১৮পৃষ্টা ছিল। ভাষা আন্দোলনে এই বইটি লেখকদের অনুপ্রেরণা কেবল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সহ সকল আন্দোলন কে উজ্জীবিত করছে। তাই এই বইটি নিয়ে অনেক গবেষণা ও আলোচনা উচিত।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভিংরাব গ্রামে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারুফ বেপারি (৪৫) নামে এক বাংলাদেশি ব্যবসà¦...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজà§...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রায়হান মিয়া,(ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযà§...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : আবদুস সবুর খান টঙ্গী থেকে ঃ টঙ্গীতে ২৩ শে সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার সকালে টঙ্গী পূর্ব থানার যুবদলের উদ...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : আব্দুস সবুর খান টঙ্গী থেকে: টঙ্গী মধুমিতা রোডস্থ মেগা সিটিতে মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিষিদ্ধ ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited