শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৫:২৫ পিএম, ২০২১-০৯-০৮
ফারুকুজ্জামান,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জে তিন মাসের অন্ত:সত্তাএক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর বাদীকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করে গর্ভের বাচ্চা মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ সদরের মাইজখাপন ইউপি সদস্য মোঃ বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ভাতা কার্ড দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগে ২৪ আগষ্ট আদালতে মামলা করেছেন ওই নারী।
মামলাটি আমলে নিয়ে বিপিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নির্যাতনের শিকার ওই নারী বর্তমানে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের তদন্তের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অবইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর এসপি শাহাদাৎ হোসেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের বেত্রাহাটি মীরপাড়ার বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলাম এর সঙ্গে গত ৪ মাস পৃর্বে বিয়ে হয় ওই নির্যাতিতা নারীর। বিয়ের ৩ মাস পর অন্তসত্বা হয়ে পড়েন তিনি। মাইজখাপন ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. বকুল মিয়ার কাছে ওই নারী গর্ভবতী কার্ডের জন্য গেলে তিনি পরিষদে মাটি কাটার চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২১ হাজার টাকা আদায় করেন। এর কিছুদিন পর গর্ভবতী কার্ডের জন্য আরও ১০ হাজার টাকা দাবী করেন সে। কয়েক দিন পর চাকরি ও কার্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য ওই নারীকে তার বাড়িতে দেখা করতে বলেন। কার্ডের বিষয় জানতে ওই নারী ইউপি সদস্যের বাড়িতে গেলে তিনি তাকে জোরপৃর্বক ধর্ষণ করেন এবং ঘটনা কাউকে জানালে খুন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে বলে হুমকি দেন। এমনকি তার স্বামীকেও আসামী বানানোর ভয় দেখিয়ে স্ত্রীর বিপক্ষে অবস্থান নিতে বলেন। ওই নারী জানান, ধর্ষণের বিচার চেয়ে পরের দিন গত ১৯ আগষ্ট কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ না করে আমাকে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করার জন্য পরামর্শ দেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জ ১ নং- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বকুল মিয়াকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়েরের পর বকুল মেম্বার মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য ওই নারীর উপর বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। মামলার ঘটনায় পাপ্তি হয়ে গত ৩১ আগস্ট রাতে ওই নারীকে মারধর করার এক পর্যায়ে পেটে লাথি দিলে গুরুতর আহত হন এবং ব্যাপক রক্তপাত হয়। এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করলে ওই নির্যাতিতা নারী একটি মৃত বাচ্চা প্রসব করেন। এ ঘটনা ঘটিয়েও থেমে যায়নি মেম্বার বকুল বরং উল্টো তাঁর সমর্থিত ব্যক্তিকে দিয়ে ধর্ষিতা ও তার স্বামী শফিকুল ইসলাম রিংকুকে আসামী করে একটি চাঁদাবাজি মামলা (নং ০৮ তাং ৪.০৯.২১ ইং) দায়ের করে।
এ মামলায় পুলিশ শফিকুল ইসলাম রিংকুকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে সে জেল হাজতে রয়েছে।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভিংরাব গ্রামে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারুফ বেপারি (৪৫) নামে এক বাংলাদেশি ব্যবসà¦...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজà§...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রায়হান মিয়া,(ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযà§...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : আবদুস সবুর খান টঙ্গী থেকে ঃ টঙ্গীতে ২৩ শে সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার সকালে টঙ্গী পূর্ব থানার যুবদলের উদ...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : আব্দুস সবুর খান টঙ্গী থেকে: টঙ্গী মধুমিতা রোডস্থ মেগা সিটিতে মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিষিদ্ধ ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited