চট্টগ্রাম   শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১  

শিরোনাম

কিশোরগঞ্জে অন্তসত্বা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভের সন্তান হত্যা করলো ইউপি সদস্য!

কিশোরগঞ্জে অন্তসত্বা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভের সন্তান হত্যা করলো ইউপি সদস্য!

জিএসএসনিউজ ডেস্ক :    |    ০৫:২৫ পিএম, ২০২১-০৯-০৮

কিশোরগঞ্জে অন্তসত্বা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভের সন্তান হত্যা করলো ইউপি সদস্য!

ফারুকুজ্জামান,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জে তিন মাসের অন্ত:সত্তাএক নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর বাদীকে মারধর শারীরিক নির্যাতন করে গর্ভের বাচ্চা মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ সদরের মাইজখাপন ইউপি সদস্য মোঃ বকুল মিয়ার বিরুদ্ধে। ভাতা কার্ড দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগে ২৪ আগষ্ট আদালতে মামলা করেছেন ওই নারী

 

মামলাটি আমলে নিয়ে বিপিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। নির্যাতনের শিকার ওই নারী বর্তমানে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের তদন্তের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অবইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর এসপি শাহাদাৎ হোসেন। মামলার বিবরণে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের বেত্রাহাটি মীরপাড়ার বাসিন্দা মো. শফিকুল ইসলাম এর সঙ্গে গত মাস পৃর্বে বিয়ে হয় ওই নির্যাতিতা নারীর। বিয়ের মাস পর অন্তসত্বা হয়ে পড়েন তিনি। মাইজখাপন ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. বকুল মিয়ার কাছে ওই নারী গর্ভবতী কার্ডের জন্য গেলে তিনি পরিষদে মাটি কাটার চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২১ হাজার টাকা আদায় করেন। এর কিছুদিন পর গর্ভবতী কার্ডের জন্য আরও ১০ হাজার টাকা দাবী করেন সে। কয়েক দিন পর চাকরি কার্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য ওই নারীকে তার বাড়িতে দেখা করতে বলেন। কার্ডের বিষয় জানতে ওই নারী ইউপি সদস্যের বাড়িতে গেলে তিনি তাকে জোরপৃর্বক ধর্ষণ করেন এবং ঘটনা কাউকে জানালে খুন করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেবে বলে হুমকি দেন। এমনকি তার স্বামীকেও আসামী বানানোর ভয় দেখিয়ে স্ত্রীর বিপক্ষে অবস্থান নিতে বলেন। ওই নারী জানান, ধর্ষণের বিচার চেয়ে পরের দিন গত ১৯ আগষ্ট কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা গ্রহণ না করে আমাকে বিজ্ঞ নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করার জন্য পরামর্শ দেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জ নং- নারী