শিরোনাম
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : | ০৭:১৬ পিএম, ২০২৩-০২-১৪
ডাঃ এম এ মান্নান কুষ্টিয়া : বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই শ্লোগান নিয়ে র্যা পিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যা ব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে জোরালো ভূমিকা পালন করে আসছে। র্যা বের সৃষ্টিকাল থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ উদ্ধার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি, ছিনতাইকারী, অপহরণ ও প্রতারকদের গ্রেফতার করে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সদা তৎপর রয়েছে র্যা ব।
গত ২৯ ডিসেম্বর ২০০৫ তারিখ স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার রনজিতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক রবিউল ইসলামকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে বলে জানা যায়।
উক্ত হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে নিহতের শ্বশুর বাদী হয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে, যার মামলা নং-১০, তারিখ-৩০/১২/২০০৫, ধারা ৩০২/১০৯, পেনাল কোড-১৮৬০, জিআর নং-৯৮/০৫। উক্ত মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালের ৩১ আগষ্ট আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২৩ সালের ০৩ জানুয়ারি কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিজ্ঞ বিচারক ০৭ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ২৫,০০০/-টাকা জরিমানা করে রায় প্রদান করেন। হত্যাকান্ডের পর থেকেই আসামিগণ আত্মগোপনে চলে যায়। সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামি রোগাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতারের ব্যাপারে র্যা ব উদ্যোগী হয়ে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে।
এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র্যা ব ১২, সিরাজগঞ্জ মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় এবং র্যা ব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যা ব-৮ এর সহযোগিতায় সিপিসি-১, কুষ্টিয়া ক্যাম্প, র্যা ব-১২ এর অভিযানে গত রাত ০৩.০০ ঘটিকায় ঢাকা, মাদারিপুর এবং কুষ্টিয়া হতে উক্ত হত্যা মামলার যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ১) মোঃ দেলবার (৭০), ২) মোঃ ফিরোজ (৬৫), উভয় পিতা-মোকাদ্দেস আলী, ৩) মোঃ সবুজ (৩০), পিতা-মোঃ ফিরোজ, সর্বসাং-রনজিতপুর, থানা-ইবি, জেলা-কুষ্টিয়া এবং ৪) মোঃ হেলাল (৩৫), পিতা-রফিউদ্দিন, সাং-সিরামপুর, থানা-শৈলকুপা, জেলা-ঝিনাইদহ’কে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি ফিরোজ এবং সবুজ হত্যাকান্ডের পর ঘর-বাড়ি এবং সম্পত্তি বিক্রি করে মাদারিপুর চলে যায়। সেখানে তারা নিজেদের নাম ঠিকানা পরিবর্তন করে নতুন এনআইডি তৈরি করে বসবাস করছিল। দেলবারও নিজের জমি-জমা বিক্রি করে কুষ্টিয়ার পোড়াদহে বাড়ি তৈরি করে মধু চাষী হিসেবে জীবন যাপন করছিল। অপর আসামি হেলাল ঢাকার উত্তরায় টাইলস মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করতো।
উক্ত হত্যা মামলার বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত আছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করতঃ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভিংরাব গ্রামে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারুফ বেপারি (৪৫) নামে এক বাংলাদেশি ব্যবসà¦...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজà§...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : রায়হান মিয়া,(ব্রাহ্মণবাড়িয়া): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযà§...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : আবদুস সবুর খান টঙ্গী থেকে ঃ টঙ্গীতে ২৩ শে সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার সকালে টঙ্গী পূর্ব থানার যুবদলের উদ...বিস্তারিত
টঙ্গী প্রতিনিধি : আব্দুস সবুর খান টঙ্গী থেকে: টঙ্গী মধুমিতা রোডস্থ মেগা সিটিতে মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিষিদ্ধ ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited